০৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমিকের প্রতারণায় ওসমানীর বেডে যুবতি

  • Update Time : ০৯:১৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: প্রেমিককে বিশ্বাস করে বিয়ে করতে ঘর ছেড়েছিলেন হবিগঞ্জে ২৪ বছর বয়সী এক যুবতি। বাড়ি নবিগঞ্জ উপজেলায়। কিন্তু প্রেমিকপ্রবর শেষ পর্যন্ত কাজী অফিস ঘুরেও বিয়ে করতে অস্বীকার করে। পরে যুবতিটিকে রাস্তায় হাতকাটা অবস্থায় পেয়ে পথচারিরা তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ অবস্থায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ফাঁড়ির পুলিশের ইনচার্জ খবর প্রেয়ে দ্রুত তার সাথে কথা বলেন। এরপর তিনি মেয়েটির অভিভাবকদের সাথেও কথা বলেছেন। তারা তাকে নিতে আসার আশ্বাস দিয়েছেন এবং এখন সবাই তাদের অপেক্ষায়। মঙ্গলবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসমানী মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আলাউদ্দিন। এরপর ওই যুবতির সাথে আলাপ হয়। তিনি জানান, তার প্রেমিক প্রবরের নাম রণি আহমদ সাকিব। বাড়ি নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায়। প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে যুবতিটির পরিবারের লোকজন কিছুদিন আগে ছেলেকে দেখেছেন। তবে তাদের পছন্দ না হওয়ায় এ বিয়েতে সম্মত হননি। কিন্তু এরপরও যুবতি ওই সাকিবের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখেন। বিয়ের আশ্বাস দিলে তিনি রবিবার কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে সিলেট শহরে চলে আসেন। সাকিব তাকে নিজের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তার বাবা ও মা যুবতিটিকে স্বাগত জানান এবং রাতে তিনি ওই বাসাতেই অবস্থান করেন। পরদিন সোমবার সাকিব তাকে বিয়ে করতে বালুচর কাজী অফিসে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর সাকিব বিয়ের ব্যাপারে নানা ধরনের অজুহাত দেখাতে থাকেন। ওই যুবতি দাবি করেন, তার কাছে কাবিনের জন্য ১০ হাজার টাকা চান সাকিব। কিন্তু সেটা দিতে পারেননি। এরপর তাকে নষ্টা ভ্রষ্টা ইত্যাদি বলে বিয়ে করতে অস্বীকার করে আবারও নিজের বাসায় ফিরিয়ে নেন। তবে একটু পর আবারও তাকে বাসার বাইরে নিয়ে আসেন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রোডের আশাপাশ কোথাও রেখে কৌশলে পালিয়ে যান। এসময় তার আইডি কার্ডও নিয়েযান সাকিব। যুবতি এক পর্যায়ে একটি ছোটো চাকু ক্রয় করে নিজের হাতের রগ কেটে ফেলেন। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে কয়েকজন পথচারী ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসমানী মেডিকেল জলেজ হাসপাতাল ফাঁড়ির ইনচার্জ আলাউদ্দিন মেয়েটির সাথে দেখা করে বিস্তারিত অবগত হন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। তারা আশ্বাস দিয়েছেন, সিলেট এসে যুবতিটিকে নিয়ে যাবেন। তবে মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে আলাউদ্দিন জানান, আমরা তাদের অপেক্ষায়। এখনো কেউ আসেননি। তারা অভিযোগ দিলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

প্রেমিকের প্রতারণায় ওসমানীর বেডে যুবতি

Update Time : ০৯:১৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: প্রেমিককে বিশ্বাস করে বিয়ে করতে ঘর ছেড়েছিলেন হবিগঞ্জে ২৪ বছর বয়সী এক যুবতি। বাড়ি নবিগঞ্জ উপজেলায়। কিন্তু প্রেমিকপ্রবর শেষ পর্যন্ত কাজী অফিস ঘুরেও বিয়ে করতে অস্বীকার করে। পরে যুবতিটিকে রাস্তায় হাতকাটা অবস্থায় পেয়ে পথচারিরা তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ অবস্থায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ফাঁড়ির পুলিশের ইনচার্জ খবর প্রেয়ে দ্রুত তার সাথে কথা বলেন। এরপর তিনি মেয়েটির অভিভাবকদের সাথেও কথা বলেছেন। তারা তাকে নিতে আসার আশ্বাস দিয়েছেন এবং এখন সবাই তাদের অপেক্ষায়। মঙ্গলবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসমানী মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আলাউদ্দিন। এরপর ওই যুবতির সাথে আলাপ হয়। তিনি জানান, তার প্রেমিক প্রবরের নাম রণি আহমদ সাকিব। বাড়ি নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায়। প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে যুবতিটির পরিবারের লোকজন কিছুদিন আগে ছেলেকে দেখেছেন। তবে তাদের পছন্দ না হওয়ায় এ বিয়েতে সম্মত হননি। কিন্তু এরপরও যুবতি ওই সাকিবের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখেন। বিয়ের আশ্বাস দিলে তিনি রবিবার কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে সিলেট শহরে চলে আসেন। সাকিব তাকে নিজের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তার বাবা ও মা যুবতিটিকে স্বাগত জানান এবং রাতে তিনি ওই বাসাতেই অবস্থান করেন। পরদিন সোমবার সাকিব তাকে বিয়ে করতে বালুচর কাজী অফিসে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর সাকিব বিয়ের ব্যাপারে নানা ধরনের অজুহাত দেখাতে থাকেন। ওই যুবতি দাবি করেন, তার কাছে কাবিনের জন্য ১০ হাজার টাকা চান সাকিব। কিন্তু সেটা দিতে পারেননি। এরপর তাকে নষ্টা ভ্রষ্টা ইত্যাদি বলে বিয়ে করতে অস্বীকার করে আবারও নিজের বাসায় ফিরিয়ে নেন। তবে একটু পর আবারও তাকে বাসার বাইরে নিয়ে আসেন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রোডের আশাপাশ কোথাও রেখে কৌশলে পালিয়ে যান। এসময় তার আইডি কার্ডও নিয়েযান সাকিব। যুবতি এক পর্যায়ে একটি ছোটো চাকু ক্রয় করে নিজের হাতের রগ কেটে ফেলেন। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে কয়েকজন পথচারী ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসমানী মেডিকেল জলেজ হাসপাতাল ফাঁড়ির ইনচার্জ আলাউদ্দিন মেয়েটির সাথে দেখা করে বিস্তারিত অবগত হন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। তারা আশ্বাস দিয়েছেন, সিলেট এসে যুবতিটিকে নিয়ে যাবেন। তবে মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে আলাউদ্দিন জানান, আমরা তাদের অপেক্ষায়। এখনো কেউ আসেননি। তারা অভিযোগ দিলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ