প্রবাসীর মার্কেটে তালা দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেফতার- ২
- Update Time : ০২:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: যুক্তরাজ্য প্রবাসীর মালিকানাধীন একটি মার্কেটে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। মামলার বিবরণে জানা যায়, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ব্রাহ্মনডোরা ইউনিয়নের অলিপুর এলাকায় অবস্থিত রাসেল মার্কেটে দীর্ঘদিন ধরে কিছু দুর্বৃত্ত দোকানদারদের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছিল। দোকানদাররা চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাদেরকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া ছাড়াও ব্যবসায় বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছিল। র্যাব জানায়, গত ৩১ আগস্ট সকালে তারা দোকানদারদের নিকট পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় দোকানদারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে দোকান থেকে বের করে দিয়ে পুরো মার্কেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর প্রবাসী মালিক এনএম ফজলে রাব্বি রাসেলের পক্ষ থেকে তার খালাতো ভাই স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু ২০ সেপ্টেম্বর রাতে আবারও প্রায় ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মার্কেটে প্রবেশ করে পূর্বের দাবিকৃত চাঁদা দিতে চাপ দেয়। দোকানদাররা অস্বীকার করলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় মার্কেটের সাইনবোর্ড, আসবাবপত্র ও ব্যানার ভাঙচুর করে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধন করা হয়। এছাড়া একটি দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে ৭০ হাজার টাকা লুট করে নেয় তারা। পরে সবগুলো দোকান তালাবদ্ধ করে দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়, কেউ দোকান খুললে বা আইনের আশ্রয় নিলে তাকে হত্যা করা হবে। ঘটনার পর রাসেল মার্কেটের মালিকের পক্ষ থেকে খালাতো ভাই মো. নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর র্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মোহনপুর ঘোষপাড়া বেবি স্ট্যান্ড মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে র্যাব। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ধরিয়াপুর গ্রামের মো. জিয়াউর রহমান (৩৬) এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার উলুহর গ্রামের মো. জসিম আহমেদ (৪০)। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব জানায়, মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

























