দ্বীন শিক্ষার মানোন্নয়ন ও কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার মোকাবিলায় সম্মেলন
- Update Time : ০১:২১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: দ্বীন শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে চলমান মিথ্যা প্রপাগান্ডা মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণের লক্ষে উত্তরা আঞ্চলিক শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে দিনব্যাপী মুহতামিম-দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ঢাকার উত্তরা বিমানবন্দর এলাকার জামিয়া বাবুস সালামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরা আঞ্চলিক শিক্ষা বোর্ডের কার্যকরী প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমীর সভাপতিত্বে এবং বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা আনিসুর রহমানের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বৃহত্তর উত্তরা-টঙ্গীর পাঁচ শতাধিক মুহতামিম ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন পাকিস্তানের মাওলানা মুহাম্মদ আহমদ লুধিয়ানভী, পাকিস্তানের মাওলানা আশরাফ তাহের, মুনাজিরে জমান মাওলানা নূরুল ইসলাম ওলিপুরী, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, আকবর কমপ্লেক্স মিরপুরের মুহতামিম মুফতি দিলাওয়ার হুসাইন, ফরিদাবাদ মাদরাসার প্রধান মুফতি আবু সাঈদ, উত্তরা আঞ্চলিক শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি মুফতি কেফায়তুল্লাহ আজহারী, মাওলানা ফজলে রাব্বি, মুফতি মাসউদুল করিম, মুফতি মহিউদ্দিন মাসুম, মাওলানা নূরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, কওমি মাদরাসা নায়েবে নবী ও যোগ্য আদর্শ নাগরিক তৈরির কারখানা। দ্বীন ইসলামের হেফাজতের দুর্গ হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সন্তানকে আগামী দিনের নেতৃত্বের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলাই এসব দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের অভীষ্ট লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিটি মাদরাসার মুহতামিম ও দায়িত্বশীল আসাতিযায়ে কেরামকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিটি মাদরাসার তা’লীম ও তারবিয়াহর মানোন্নয়নের দৃশ্যমান পরিবেশ তৈরি করতে সবাইকে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে।
তিনি আরো বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে মাদরাসা পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সর্বদা সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে চলমান প্রপাগান্ডার বিষয়ে তিনি বলেন, যেকোনো মিথ্যা প্রপাগান্ডা ও অপপ্রচারের মোকাবিলা করতে হবে জোরালোভাবে। তবে একই সঙ্গে তা করতে হবে বিচক্ষণতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে। প্রয়োজন হলে মাদরাসা শিক্ষার ইতিবাচক ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।
উক্ত সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আখতারুজ্জামান, মাওলানা শেখ বোরহানুদ্দীন, মুফতি মনসুরুল হক, মাওলানা ইমদাদুল্লাহ, মুফতি শওকত কাসেমী, মাওলানা ইউসুফ লাকসামী, মুফতি গিয়াসুদ্দিন আল-মাদানী, মাওলানা জাকির হুসাইন গাওয়াইর, মুফতি জাকির হুসাইন মসজিদুল মাগফিরা, মাওলানা আহমদ শফী তুরাগ, মুফতি আলামীন জামিয়াতুল মানহাল, মাওলানা মুকাররম, মাওলানা মায়মুন প্রমুখ।




























