ছেলের হাতে বাবাকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ, ছেলে আটক
- Update Time : ০৮:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: নিজ ঘরে বাবাকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর মাদকাসক্ত ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের আন্ধাবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শাহাবুদ্দিন মিয়া ৩নং ওয়ার্ডের আন্ধাবাড়ীর বাসিন্দা। তার বসত ঘরেরই একা পেয়ে হত্যা করে তার ছেলে ইয়াফিন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহাবুদ্দিন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী ছিলেন। ছয় ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে ইয়াফিন চতুর্থ। স্থানীয়দের দাবি, ইয়াফিন প্রায় দুই বছর ধরে মাদকাসক্ত এবং মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়ির বাইরে একজন মৃত্যু ব্যাক্তিকে দেখতে যান। খালি ঘর পেয়ে দা দিয়ে বাবাকে জবাই করেন সন্তান ইয়াফিন। পরিবারের সদস্যরা ঘরে ফিরে শাহাবুদ্দিন মিয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে আজমিরীগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শাহাবুদ্দিন মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে অভিযান চালিয়ে শিবপাশা বাজার এলাকা থেকে ইয়াফিনকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি ধারালো দা জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শিবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলিউর রহমান তালুকদার ও সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জয়নাল মিয়া বলেন, ইয়াফিন মাদকাসক্ত ছিলেন। তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত বাবাকে দা দিয়ে হত্যা করেছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) বিশ্বজিৎ পাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শাহাবুদ্দিন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। ইয়াফিন প্রায় দুই বছর ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলেও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ইয়াফিনকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




























