পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে নারীকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২
- Update Time : ০৬:০০:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়ে এক নারী টানা চার দিন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দিনাজপুরের হাকিমপুর পৌরসভার পালপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রেখে এই নির্যাতন চালানো হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের দায়ের করা মামলায় পুলিশ ইতোমধ্যে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমন এবং মো. শুকুর আলী (৫৫)। মামলার অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া (৫০) বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পাওনা টাকা চাইতে গেলে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকায় মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমনের বাড়িতে ওই নারীকে আটকে রাখা হয়। এ সময় রুহুল আমিন ওরফে রিমন, শুকুর আলী (৫৫) ও ফেরদৌস মিয়া (৫০) ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানোরও অভিযোগ রয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাড়িতে গিয়ে দুই আসামিকে আটক করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে রোববার সকালে হাকিমপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমন ও মো. শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন। ওসি বাদশা আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।



























