কিশোর- তরুণ ক্রিকেটারদের সাথে কিছুক্ষণ : শাহ মমশাদ আহমদ
- Update Time : ০২:৪৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মে ২০২১
- / ৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ক্রিকেট ম্যাচে যেভাবে কত ওভার খেলা হবে তা নির্ধারিত থাকে, মানুষের জীবনের ও একটা সময় নির্ধারিত আছে, নির্ধারিত ওভার শেষে যেভাবে খেলা শেষ হয়, আল্লাহ নির্ধারিত সময় শেষ হলে আমাদের জীবনের খেলাও শেষ হয়ে যায়।
ক্রিকেট ম্যাচে একজন আম্পায়ার থাকে, মুমিন জীবনের আম্পায়ার কুরআন ও সুন্নাহ। এর বাইরে কোন মুমিন একচুল ও নড়তে পারেনা।
একজন ব্যাটসম্যান ম্যাচ চলাকালীন সার্রক্ষণিক বোলারের দিকে লক্ষ্য রাখে, যাতে ব্যাটসম্যান তাকে বোল্ড করতে না পারে।
একজন মুমিনের উচিত শয়তানের ধোকা থেকে বাচার
চেষ্টা করা, ফাষ্ট বোলার এবং স্পিনারদের বলের ধরন
ভিন্ন ভিন্ন হয়, শয়তানের ধোকা ও ভিন্ন ভিন্ন হয়। প্রত্যেক মুমিনের উচিত শয়তানের রুপপাল্টানো
ধোকা থেকে বেচে থাকা।
একযুগ পুর্বে বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটার সাঈদ আনোয়ারের এমন একটি বয়ান শুনেছিলাম, তিনি ঢাকায় বিশ্বইজতেমার সময় টঙ্গীর এক মসজিদে বয়ান রেখেছিলেন।
গতকাল পাড়ার কয়েকজন কিশোর-তরুণ ক্রিকেটার সৌজন্য সাক্ষাতে আসলে একথাগুলো শুনালাম, ক্রিকেটার হাসিম আমলার ধার্মিকতার বিষয় ও তুলে ধরলাম।
উদীয়মান ক্রিকেটাররা মনযোগ দিয়ে কথাগুলো শুনলেন, তাদের কিছু সুখদুঃখের কথা ও শুনলাম। আলহামদুলিল্লাহ, তারা নিয়মিত নামাজ আদায়ের প্রতিশ্রুতি দিলেন।
নবীন আলেমদের আহ্বান করব,নিজেদের মধ্যকার
আড্ডা কমিয়ে তরুণ যুবকদের মধ্যে দাওয়াতি কাজে
মনোনিবেশ করুন, তাদের মনের ভাষা বুঝে হেকমতের
সাথে কাজ করলে তরুণদের মধ্যে দীনের আলোড়ন সৃষ্টি হবে ইনশাআল্লাহ।
বর্তমানে বাতিলের আতংক না হয়ে নাসিহাতকারী আর অনলবর্ষী না হয়ে মধুবর্ষী দায়ীর খুব প্রয়োজন।
আল্লাহ আমাদের সময়ের দাবী অনুধাবন করে দীনী
কাজের তাওফিক দিন। লেখক: কলামিস্ট সিলেট।





























