০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগুনে পুড়ল প্রবাসীর ঘরের ৫০ লাখ টাকা

  • Update Time : ০২:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আগুনে পুড়ে গেছে ৫০ লাখ টাকা। সেই সঙ্গে তিনটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় হেলু মিয়া (৫৫) নামে একজন আহত হয়েছেন। আগুনে পোড়ার সময় দুটি পরিবার সাড়ে তিন লাখ টাকা উদ্ধার করতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন পুড়ে যাওয়া তিন ঘরের মালিক মুক্তার মিয়া, জিল্লুর রহমান ও হেলু মিয়া। তবে ঘর তিনটির আসবাপত্র সবই পুড়ে গেছে বলে জানান ঘরের মালিক। ঘর মালিক মুক্তার মিয়া বলেন, আমার ছেলে বিদেশ থাকে। তার পাঠানো টাকা জমিয়ে ঘরে ৩০ লাখ টাকা রেখেছিলাম। বাড়িতে নতুন বিল্ডিংয়ের কাজ শুরু করতাম। তার মধ্য দুই লাখ টাকা উদ্ধার করতে পেরেছি। বাকি ২৮ লাখ টাকাসহ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

আরেক ঘর মালিক জিল্লুর রহমান বলেন, আমি এনজিও ও ব্যাংক থেকে সোমবার ২২ লাখ টাকা তুলে ঘরের ড্রামে রেখেছিলাম। তার মধ্য দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করেছি। বাকি ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ ঘরটি আসবাপত্রসহ পুড়ে গেল। আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেলাম। এ টাকা দিয়ে ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর কথা ছিল তার। হেলু মিয়া বলেন, আগুন নেভাতে গিয়ে আমার হাত পুড়ে গেছে। গ্রামবাসীর সহায়তায় আগুন নেভাতে সক্ষম হয়েছি। স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. জাহাংগীর আলম বলেন, তিনটি ঘর পুড়লেও দুইজনের ৫০ লাখ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গ্রামবাসী এগিয়ে এসে নদীর পানি দিয়ে দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানান তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

আগুনে পুড়ল প্রবাসীর ঘরের ৫০ লাখ টাকা

Update Time : ০২:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আগুনে পুড়ে গেছে ৫০ লাখ টাকা। সেই সঙ্গে তিনটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় হেলু মিয়া (৫৫) নামে একজন আহত হয়েছেন। আগুনে পোড়ার সময় দুটি পরিবার সাড়ে তিন লাখ টাকা উদ্ধার করতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন পুড়ে যাওয়া তিন ঘরের মালিক মুক্তার মিয়া, জিল্লুর রহমান ও হেলু মিয়া। তবে ঘর তিনটির আসবাপত্র সবই পুড়ে গেছে বলে জানান ঘরের মালিক। ঘর মালিক মুক্তার মিয়া বলেন, আমার ছেলে বিদেশ থাকে। তার পাঠানো টাকা জমিয়ে ঘরে ৩০ লাখ টাকা রেখেছিলাম। বাড়িতে নতুন বিল্ডিংয়ের কাজ শুরু করতাম। তার মধ্য দুই লাখ টাকা উদ্ধার করতে পেরেছি। বাকি ২৮ লাখ টাকাসহ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

আরেক ঘর মালিক জিল্লুর রহমান বলেন, আমি এনজিও ও ব্যাংক থেকে সোমবার ২২ লাখ টাকা তুলে ঘরের ড্রামে রেখেছিলাম। তার মধ্য দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করেছি। বাকি ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ ঘরটি আসবাপত্রসহ পুড়ে গেল। আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেলাম। এ টাকা দিয়ে ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর কথা ছিল তার। হেলু মিয়া বলেন, আগুন নেভাতে গিয়ে আমার হাত পুড়ে গেছে। গ্রামবাসীর সহায়তায় আগুন নেভাতে সক্ষম হয়েছি। স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. জাহাংগীর আলম বলেন, তিনটি ঘর পুড়লেও দুইজনের ৫০ লাখ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গ্রামবাসী এগিয়ে এসে নদীর পানি দিয়ে দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানান তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ