১০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমের টানে কুড়িগ্রামে চীনা যুবক, এলাকায় উপচে পড়া ভিড়

  • Update Time : ০৯:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে প্রেমের টানে চীন থেকে ছুটে এসেছেন এক যুবক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক মাসের পরিচয়ের পর প্রেমে জড়িয়ে গত ৯ মে পারিবারিকভাবে ঢাকার একটি আদালতে কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। রোববার (১৭ মে) সকালে উপজেলার ধর্মপুর কালিয়টারী গ্রামে এলে চীনা যুবককে এক নজর দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে। এর আগে গত ৩ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয় ওই গ্রামের মোরশেদা বেগম ও চীনা যুবক আনহংওয়েইর (৩৯)। মোরশেদা ওই গ্রামের মৃত মোফাজ্জল ও সাহেরা দম্পতির মেয়ে। তিনি ঢাকার সাভারে একটি গার্মেন্টসে কর্মরত। তার পূর্বের সংসারে একটি মেয়ে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বিয়ের পর শনিবার প্রথমবারের মতো ওই যুবক শ্বশুরবাড়িতে আসেন। এ সময় তিনি নিজেকে চীনের নাগরিক এবং ওই পরিবারের জামাতা হিসেবে পরিচয় দেন। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে তারা শ্বশুরবাড়িতেই অবস্থান করছেন। ওই দম্পতি আগামী ৩০ মে চীনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। চীনা যুবক ওই দেশের ঝাওঝেন, দাতুন টাউন, ডংমিং কাউন্টি প্রদেশ শান ডং নং ০৮৮, ঝাওঝেনতুন গ্রামের মিস্টার আনজিফাং ও মিসেস মেংফেংজিয়াও দম্পতির সন্তান। আনহংওয়েই বলেন, আমি মুসলমান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়ের পর মোরশেদাকে বিয়ে করেছি। তাকে আমার পরিবারের সঙ্গে অনলাইনে পরিচয় করিয়ে দিয়েছি। আমি তাকে সুখে রাখতে পারব। মোরশেদা বেগম বলেন, আমার স্বামী খুবই ভালো মানুষ। আমি তার সঙ্গে সুখে থাকব। কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ধর্মপুর মৌজার ইউপি সদস্য মো. ফেরদৌস আলম জানান, চীনা নাগরিক আসার খবর পেয়ে তিনি ওই বাড়িতে যান এবং উৎসুক জনতার ভিড় দেখতে পান। পরে বিয়ের কাবিননামা দেখেছেন বলেও জানান তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

প্রেমের টানে কুড়িগ্রামে চীনা যুবক, এলাকায় উপচে পড়া ভিড়

Update Time : ০৯:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে প্রেমের টানে চীন থেকে ছুটে এসেছেন এক যুবক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক মাসের পরিচয়ের পর প্রেমে জড়িয়ে গত ৯ মে পারিবারিকভাবে ঢাকার একটি আদালতে কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। রোববার (১৭ মে) সকালে উপজেলার ধর্মপুর কালিয়টারী গ্রামে এলে চীনা যুবককে এক নজর দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে। এর আগে গত ৩ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয় ওই গ্রামের মোরশেদা বেগম ও চীনা যুবক আনহংওয়েইর (৩৯)। মোরশেদা ওই গ্রামের মৃত মোফাজ্জল ও সাহেরা দম্পতির মেয়ে। তিনি ঢাকার সাভারে একটি গার্মেন্টসে কর্মরত। তার পূর্বের সংসারে একটি মেয়ে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বিয়ের পর শনিবার প্রথমবারের মতো ওই যুবক শ্বশুরবাড়িতে আসেন। এ সময় তিনি নিজেকে চীনের নাগরিক এবং ওই পরিবারের জামাতা হিসেবে পরিচয় দেন। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে তারা শ্বশুরবাড়িতেই অবস্থান করছেন। ওই দম্পতি আগামী ৩০ মে চীনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। চীনা যুবক ওই দেশের ঝাওঝেন, দাতুন টাউন, ডংমিং কাউন্টি প্রদেশ শান ডং নং ০৮৮, ঝাওঝেনতুন গ্রামের মিস্টার আনজিফাং ও মিসেস মেংফেংজিয়াও দম্পতির সন্তান। আনহংওয়েই বলেন, আমি মুসলমান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়ের পর মোরশেদাকে বিয়ে করেছি। তাকে আমার পরিবারের সঙ্গে অনলাইনে পরিচয় করিয়ে দিয়েছি। আমি তাকে সুখে রাখতে পারব। মোরশেদা বেগম বলেন, আমার স্বামী খুবই ভালো মানুষ। আমি তার সঙ্গে সুখে থাকব। কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ধর্মপুর মৌজার ইউপি সদস্য মো. ফেরদৌস আলম জানান, চীনা নাগরিক আসার খবর পেয়ে তিনি ওই বাড়িতে যান এবং উৎসুক জনতার ভিড় দেখতে পান। পরে বিয়ের কাবিননামা দেখেছেন বলেও জানান তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ