০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোজা রাখতে অক্ষম ব্যক্তি কত টাকা ফিদইয়া দেবেন?

  • Update Time : ০২:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • / ১০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: এমন বৃদ্ধ বা অসুস্থ ব্যক্তি যে, তার রোজা রাখার সক্ষমতা নেই। কিংবা সুস্থ হয়ে পরবর্তীতে রোজা রাখবেন সে সম্ভবনাও নেই। তাদের জন্য ইসলামে ফিদইয়া আদায়ের বিধান রয়েছে। কিন্তু এক দিনের রোজার ফিদইয়া কত টাকা? এবং কীভাবে তা আদায় করতে হয়? এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তে নির্দেশনাই বা কী? কোনো ব্যক্তি যদি এমন পরিস্থিতিতে পড়েন যে তিনি রোজা রাখতে সক্ষম নন এবং ভবিষ্যতেও তা কাজা করার সামর্থ্য নেই, তাহলে তার জন্য ফিদইয়া আদায়ের বিধান রয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা এক দিনের রোজার ফিদইয়া হিসেবে একজন অভাবগ্রস্ত মানুষকে দুই বেলা খাবার খাওয়ানোর কথা উল্লেখ করেছেন। তবে  ফিদইয়া আদায়ের ক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যক্তি তার আর্থিক সামর্থ্য ও মান অনুযায়ী তা দেবেন। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি আনন্দের সঙ্গে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ফিদইয়া দেয়, তা তার জন্য আরও উত্তম।

ফিদইয়ার পরিমাণ: ফিদইয়ার পরিমাণ হলো— প্রতি রোজার জন্য একটি ফিতরা তথা সদকাতুল ফিতির। অর্থাৎ প্রতি রোজা পরিবর্তে হয়তো একজন মিসকিন (জাকাত গ্রহণে উপযুক্ত ব্যক্তি) -কে দুইবেলা স্বাভাবিক খাবার দিয়ে পেট ভরে খাওয়ানো । অথবা তার সমমূল্য সদকা করা। এখন ফিতরা বা দুই বেলা পেট ভরে খাওয়ানোর জন্য প্রত্যেকের অবস্থান অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে। কেউ গমের মূল্য (১১০ টাকা) দিতে পারেন। আবার কেউ আজওয়া খেজুরের মূল্য (২৮০৫ টাকা) দিতে পারেন। ফিদইয়ার পরিমাণ দাতার অবস্থার উপর নির্ভরশীল।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন—

اَیَّامًا مَّعۡدُوۡدٰتٍ ؕ فَمَنۡ كَانَ مِنۡكُمۡ مَّرِیۡضًا اَوۡ عَلٰی سَفَرٍ فَعِدَّۃٌ مِّنۡ اَیَّامٍ اُخَرَ ؕ وَ عَلَی الَّذِیۡنَ یُطِیۡقُوۡنَهٗ فِدۡیَۃٌ طَعَامُ مِسۡكِیۡنٍ ؕ فَمَنۡ تَطَوَّعَ خَیۡرًا فَهُوَ خَیۡرٌ لَّهٗ ؕ وَ اَنۡ تَصُوۡمُوۡا خَیۡرٌ لَّكُمۡ اِنۡ كُنۡتُمۡ تَعۡلَمُوۡنَ

‘নির্দিষ্ট কয়েক দিন। তবে তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ থাকবে, কিংবা সফরে থাকবে, তাহলে অন্যান্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে। আর যাদের জন্য তা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য ফিদিইয়া তথা একজন দরিদ্রকে খাবার প্রদান করা। অতএব যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত সৎকাজ করবে, তা তার জন্য কল্যাণকর হবে। আর সিয়াম পালন তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ১৮৪)।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

রোজা রাখতে অক্ষম ব্যক্তি কত টাকা ফিদইয়া দেবেন?

Update Time : ০২:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: এমন বৃদ্ধ বা অসুস্থ ব্যক্তি যে, তার রোজা রাখার সক্ষমতা নেই। কিংবা সুস্থ হয়ে পরবর্তীতে রোজা রাখবেন সে সম্ভবনাও নেই। তাদের জন্য ইসলামে ফিদইয়া আদায়ের বিধান রয়েছে। কিন্তু এক দিনের রোজার ফিদইয়া কত টাকা? এবং কীভাবে তা আদায় করতে হয়? এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তে নির্দেশনাই বা কী? কোনো ব্যক্তি যদি এমন পরিস্থিতিতে পড়েন যে তিনি রোজা রাখতে সক্ষম নন এবং ভবিষ্যতেও তা কাজা করার সামর্থ্য নেই, তাহলে তার জন্য ফিদইয়া আদায়ের বিধান রয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা এক দিনের রোজার ফিদইয়া হিসেবে একজন অভাবগ্রস্ত মানুষকে দুই বেলা খাবার খাওয়ানোর কথা উল্লেখ করেছেন। তবে  ফিদইয়া আদায়ের ক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যক্তি তার আর্থিক সামর্থ্য ও মান অনুযায়ী তা দেবেন। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি আনন্দের সঙ্গে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ফিদইয়া দেয়, তা তার জন্য আরও উত্তম।

ফিদইয়ার পরিমাণ: ফিদইয়ার পরিমাণ হলো— প্রতি রোজার জন্য একটি ফিতরা তথা সদকাতুল ফিতির। অর্থাৎ প্রতি রোজা পরিবর্তে হয়তো একজন মিসকিন (জাকাত গ্রহণে উপযুক্ত ব্যক্তি) -কে দুইবেলা স্বাভাবিক খাবার দিয়ে পেট ভরে খাওয়ানো । অথবা তার সমমূল্য সদকা করা। এখন ফিতরা বা দুই বেলা পেট ভরে খাওয়ানোর জন্য প্রত্যেকের অবস্থান অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে। কেউ গমের মূল্য (১১০ টাকা) দিতে পারেন। আবার কেউ আজওয়া খেজুরের মূল্য (২৮০৫ টাকা) দিতে পারেন। ফিদইয়ার পরিমাণ দাতার অবস্থার উপর নির্ভরশীল।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন—

اَیَّامًا مَّعۡدُوۡدٰتٍ ؕ فَمَنۡ كَانَ مِنۡكُمۡ مَّرِیۡضًا اَوۡ عَلٰی سَفَرٍ فَعِدَّۃٌ مِّنۡ اَیَّامٍ اُخَرَ ؕ وَ عَلَی الَّذِیۡنَ یُطِیۡقُوۡنَهٗ فِدۡیَۃٌ طَعَامُ مِسۡكِیۡنٍ ؕ فَمَنۡ تَطَوَّعَ خَیۡرًا فَهُوَ خَیۡرٌ لَّهٗ ؕ وَ اَنۡ تَصُوۡمُوۡا خَیۡرٌ لَّكُمۡ اِنۡ كُنۡتُمۡ تَعۡلَمُوۡنَ

‘নির্দিষ্ট কয়েক দিন। তবে তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ থাকবে, কিংবা সফরে থাকবে, তাহলে অন্যান্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে। আর যাদের জন্য তা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য ফিদিইয়া তথা একজন দরিদ্রকে খাবার প্রদান করা। অতএব যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত সৎকাজ করবে, তা তার জন্য কল্যাণকর হবে। আর সিয়াম পালন তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ১৮৪)।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ