ইলিয়াসপত্নী লুনাকে মন্ত্রী সভায় রাখার দাবী এলাকাবাসীর
- Update Time : ০২:২৪:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: রাজনৈতিক পদ-পদবীর পাশাপাশি সিলেটের মেয়ে ডা. জুবায়েদা রহমানকে বিয়ে করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেটবাসীর অনেকের কাছে দুলাভাই, আবার অনেকের কাছে দামান্দ হিসেবে পরিচিত। একইভাবে সিলেটের ছেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট-২ আসনের সাবেক সাংসদ নিখোঁজ এম. ইলিয়াস আলীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ায় সিলেট-২ আসনে নব-নির্বাচিত এমপি তাহসিনা রুশদীর লুনা সিলেটবাসীর অনেকের কাছে ভাবী, আবার অনেকের কাছে পুত্রবধু হিসেবে পরিচিত।
তারেক রহমান দীর্ঘদিন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসলেও ‘১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট’র পূর্ব মুহুর্তে দলের পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অন্যদিকে তাহসিনা রুশদীর লুনাও সিলেট-২ আসনের ‘প্রথম’ নারী এমপি ও স্বামীর পরে স্ত্রী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে ৭৯ হাজার ৩২০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই সাথে সিলেটবাসীর দামান্দ বা দুলাভাই তারেক রহমান এবং পুত্রবধু বা ভাবী তাহসিনা রুশদীর লুনা সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম বারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন এবং প্রথম বারের মতো এমপি নির্বাচিত হন।
তাই দু’জনের রাজনৈতিক জীবনের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিতে নানান মিল থাকা এবং গুম পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে ইলিয়াসপত্নী তাহসিনা রুশদীর লুনাকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রী সভায় রাখা এখন এলাকাবাসীর প্রাণের দাবী হয়ে উঠেছে।
২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়ীর চালক আনছার আলীসহ এম. ইলিয়াস আলী গুম হন। আর এরপর সদ্য প্রয়াত বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে স্বামীর অবর্তমানে বিএনপির নেতাকর্মীসহ সিলেট-২ আসনবাসীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাহসিনা রুশদীর লুনা। এরপর থেকে অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে তাকে। অবশেষে ১২ ফেব্রুয়ারী জনতার দেওয়া রায়ে পেয়েছেন নিজের কর্ম সফলতা।
বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি গৌছ আলী ও সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া বলেন, জনতার নেতা এম. ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার পর থেকে ভাবী (লুনা) যেভাবে দক্ষতার সাথে এই অঞ্চলে দলের নেতাকর্মীসহ জনসাধারণের দায়িত্ব পালন করেছেন, এর প্রতিদান হিসেবে ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে আসনবাসী দিয়েছেন। আর এখন তিনি মন্ত্রী সভায় স্থান পেলে দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্খিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকা সিলেট-২ আসনবাসী স্বল্প সময়ের মধ্যে নিজেদের কাঙ্খিত সেই উন্নয়ন পেয়ে যেতেন। আসনবাসীর পক্ষ থেকে আগামীর প্রধানমন্ত্রী ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের কাছে আমাদের জোরদাবী তিনি যেনো উনার নতুন মন্ত্রী সভার গুম পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে আমাদের ভাবী তাহসিনা রুশদীর লুনাকে স্থান দিয়ে আমাদেরকে রক্ত ঋনে আবদ্ধ করেন।
সচেতন মহলের দাবী, দীর্ঘদিন ধরে এম. ইলিয়াস আলী নিখোঁজ থাকায় উনার পরিবার নানানভাবে তীব্র নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। তাই এখন সঠিক সময় এসেছে ওই পরিবারকে মূল্যায়ন করার। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে জনগণ কিন্তু উনাদের রায় দিয়ে দিয়েছেন। আশাকরি এখন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুম পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে তাহসিনা রুশদীর লুনাকে মন্ত্রীত্ব দিয়ে বিশ্বনাথ ও ওসমাননীগর বাসীর দাবীটি পূরণ করবেন।




























