০২:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সন্তান প্রসবের দায় নিচ্ছেন না প্রেমিক!

  • Update Time : ০৪:৩১:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পর সন্তান প্রসব করেছে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী। সন্তান প্রসবের আগে গর্ভবতী হওয়ার পর ওই যুবক তাকে বিয়ে করতে না চাইলে তিনি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলা চলমান অবস্থায় প্রেমিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের প্রায় ১১ মাসের মাথায় ফুটফুটে এক ছেলেসন্তানের জন্ম দিয়েছেন ওই নারী। ঘটনাটি ঘটেছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে। এ বিষয়ে পুলিশ বলছে- এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশ। পুলিশী তদন্ত ও মেডিকেল রিপোর্ট আদালতে যাওয়ার পর বিষয়টির একটি সুরাহা হতে পারে। জানা যায়, উপজেলার ৪নং কাকাইলছেও ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ঘরদাইর গ্রামের কাশেম মিয়ার এক মেয়ে (৩৫) তার স্বামীর সাথে সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। আর এরপর থেকে সে পিত্রালয়ে বসবাস করে আসছিল। এরই মাঝে তার ওই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে প্রতিবেশী আইনাল হক মিয়ার ছেলে মকবুল মিয়ার (২৬)। এক পর্যায়ে তারা গভীর প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। গত ২০২১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মকবুল মিয়া তাকে ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ’ করেন। পরে মকবুল মিয়া ওই নারীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এমতাবস্থায় স্থানীয়ভাবে বিষয়টি রফাদফা করার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। পরে নিরুপায় ওই নারী আদালতের দারস্থ হন। চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল তিনি বাদী হয়ে মকবুলকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) নিজ বাড়িতে ফুটফুটে ছেলেপুত্র সন্তানের জন্ম দেন ওই নারী। ওই নারীর প্রতিবেশী মতলিব মিয়া জানান, গর্ভবতী হওয়ার হওয়ার পর বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করেছেন স্থানীয় মুরুব্বিরা। এক পর্যায়ে শালিস বৈঠকও হয়। বৈঠকে মকবুল এবং ওই নারীকে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। শালিসে মকবুল সেটা মেনেও নিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সে তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে যায়। কিন্তু ওই নারী বিয়ের দাবিতে অটল থাকায় এখন সে নবজাতকের মা হয়েছে। এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবু হানিফ জানান, ভুক্তভোগী ওই নারী আদালতে মামলা করেছেন। আদালত মামলাটির পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন ও মেডিকেল রিপোর্ট দেয়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন। কিন্তু এখন যেহেতু ওই নারী বাচ্চা প্রসব করেছেন, সেহেতু ডিএনএ টেস্ট করাতে হবে। সকল প্রক্রিয়া শেষ করে প্রতিদেন আদালতে জমা দেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সন্তান প্রসবের দায় নিচ্ছেন না প্রেমিক!

Update Time : ০৪:৩১:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২

ডেস্ক রিপোর্ট :: প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পর সন্তান প্রসব করেছে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী। সন্তান প্রসবের আগে গর্ভবতী হওয়ার পর ওই যুবক তাকে বিয়ে করতে না চাইলে তিনি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলা চলমান অবস্থায় প্রেমিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের প্রায় ১১ মাসের মাথায় ফুটফুটে এক ছেলেসন্তানের জন্ম দিয়েছেন ওই নারী। ঘটনাটি ঘটেছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে। এ বিষয়ে পুলিশ বলছে- এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশ। পুলিশী তদন্ত ও মেডিকেল রিপোর্ট আদালতে যাওয়ার পর বিষয়টির একটি সুরাহা হতে পারে। জানা যায়, উপজেলার ৪নং কাকাইলছেও ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ঘরদাইর গ্রামের কাশেম মিয়ার এক মেয়ে (৩৫) তার স্বামীর সাথে সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। আর এরপর থেকে সে পিত্রালয়ে বসবাস করে আসছিল। এরই মাঝে তার ওই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে প্রতিবেশী আইনাল হক মিয়ার ছেলে মকবুল মিয়ার (২৬)। এক পর্যায়ে তারা গভীর প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। গত ২০২১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মকবুল মিয়া তাকে ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ’ করেন। পরে মকবুল মিয়া ওই নারীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এমতাবস্থায় স্থানীয়ভাবে বিষয়টি রফাদফা করার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। পরে নিরুপায় ওই নারী আদালতের দারস্থ হন। চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল তিনি বাদী হয়ে মকবুলকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) নিজ বাড়িতে ফুটফুটে ছেলেপুত্র সন্তানের জন্ম দেন ওই নারী। ওই নারীর প্রতিবেশী মতলিব মিয়া জানান, গর্ভবতী হওয়ার হওয়ার পর বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করেছেন স্থানীয় মুরুব্বিরা। এক পর্যায়ে শালিস বৈঠকও হয়। বৈঠকে মকবুল এবং ওই নারীকে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। শালিসে মকবুল সেটা মেনেও নিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সে তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে যায়। কিন্তু ওই নারী বিয়ের দাবিতে অটল থাকায় এখন সে নবজাতকের মা হয়েছে। এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবু হানিফ জানান, ভুক্তভোগী ওই নারী আদালতে মামলা করেছেন। আদালত মামলাটির পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন ও মেডিকেল রিপোর্ট দেয়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন। কিন্তু এখন যেহেতু ওই নারী বাচ্চা প্রসব করেছেন, সেহেতু ডিএনএ টেস্ট করাতে হবে। সকল প্রক্রিয়া শেষ করে প্রতিদেন আদালতে জমা দেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ