সিলেটে খেলাধুলার জন্য আরও তিনটি মাঠের প্রয়োজন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন
- Update Time : ০৪:৩৩:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মে ২০২২
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটে জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (বালক অনূর্ধ্ব-১৭) ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব (বালিকা অনূর্ধ্ব-১৭) জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন, সিলেটে খেলাধুলার জন্য কোন মাঠ নেই, এখানে কমপক্ষে আরও তিনটি মাঠের প্রয়োজন, এজন্য সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে বলে দিয়েছি নদীর ওপারে তিনি যেনো আরো তিনটি মাঠ তৈরির জন্য উদ্যোগ গ্রহন করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় দলে যারা খেলেন তারা সবাই মফস্বল থেকে উঠে আসেন। এর কারণ মফস্বলের ছেলে মেয়েরা খুব ভালো খেলে। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার যতোদিন ক্ষমতায় আছে ততোদিন আর কোন চিন্তা নেই। মফস্বলের ছেলে মেয়েদের খেলাধুলা উন্নয়নে যা কিছু করা দরকার তা করবে সরকার। রোববার সিলেট নগরীর রিকাবীবাজারস্থ জেলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন ও সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অতিথিবৃন্দ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, ক্রীড়া পরিদপ্তরের সহযোগিতায় এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে, উদ্বোধনের আগে অনুষ্ঠানে বেলা আড়াইটার দিকে মঞ্চে গান গাইছিলেন শিল্পীরা। এসময় দর্শকদের মঞ্চের সামনে যাওয়াকে কেন্দ্র করে শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্বে থাকা স্কাউট সদস্যদের বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা রূপ নেয় হাতাহাতিতে। এসময় এক স্কাউট সদস্য স্টেডিয়ামে দর্শক গ্যালারির সামনে থাকা ফুলের টব দিয়ে এক কিশোর দর্শকের মাথায় আঘাত করলে তার মাথা ফেটে রক্ত বের হয়। পরে দায়িত্বরত আনসার বাহিনীর সদস্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। উল্লেখ্য যে, সিলেট জেলার উপজেলা পর্যায়ে ১০৫টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভায় মােট ১৯৬২ জন বালক, জেলা পর্যায়ে ১৩টি উপজেলা ও ১টি সিটি কর্পোরেশনে ২৫২ জন বালক ও ২৫২ জন বালিকা অংশগ্রহণ করবে। বয়স ভিত্তিক এই টুর্নামেন্ট থেকে ৪০ জন বালক ও ৪০ জন বালিকা প্রতিভাবান খেলােয়াড় বাছাই করে প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে প্রতিভাবান ৪ জন খেলােয়াড়কে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য ব্রাজিলে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ২০২১ সালের আয়োজন থেকে ১১ জন বালক ব্রাজিলে এবং ১১ জন বালিকেকে স্পেন/পর্তুগালে প্রেরণ করা হবে। উদীয়মান খেলােয়াড়দের অনুপ্রেরণা প্রদান এবং দেশের ফুটবলের মান উন্নয়নের লক্ষ্যেই তৃণমূলের এই খেলােয়ারদের নিয়ে ২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর এই আয়ােজন করা হচ্ছে।


























