মাত্র ৪ মাসে মাহির ও ৭ মাসে শাফায়াত পুরো কোরআনে হাফিজ
- Update Time : ০৫:৫১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ এপ্রিল ২০২২
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
দৈনিক জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সারাবিশ্বে সবচেয়ে বেশী পঠিত গ্রন্থের নাম হল কুরআন শরীফ। যা বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর উপর সুদীর্ঘ ২৩ বছরে নাজিল হয়েছিল। যে গ্রন্থের হেফাজতের জিম্মাদারী স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিয়েছেন। যুগযুগ ধরে হাফেজে কুরআনরা তা হিফজ করার মাধ্যমে তাদের বক্ষে সংরক্ষণ করে রাখছেন। সচরাচর দুই, তিন চার বছরে পুরো কুরআন হেফজ করার খবর আমরা শুনে থাকি। এবার মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌর শহরের আহমদাবাদ এলাকায় অবস্থিত জামেয়া মুহাম্মদিয়া দারুস সুন্নাহ মাদরাসার দুই ক্ষুদে শিক্ষার্থীর একজন ৪ মাসে ও অপরজন ৭ মাসে পবিত্র কুরআনুল কারিম হিফজ সম্পন্ন করে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। দুই শিক্ষার্থীর নাম মাহির হাসান (১১) ও অপরজনের নাম শাফায়াত আহমদ (১২)। মাহির ৪ মাস ও শাফায়াত ৭ মাসে হাফেজ হয়েছে। মাহির উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে ও শাফায়াত রিকশাচালক শায়খুল ইসলামের ছেলে। তারা উভয়ই কুলাউড়া শহরের আহমদাবাদ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
আহমদাবাদ মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মাহমুদুর রহমান ইমরান জানান, পৃথিবীর একমাত্র গ্রন্থ পবিত্র কোরআন শরীফ। যাকে পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ মানুষ বুকে ধারণ করে থাকে। হাজার হাজার শব্দ আর শত শত পৃষ্ঠার এই গ্রন্থ সকলে মুখস্থ করতে পারে না, আর পারলেও ৪/৫ বছর তো লাগবেই। আলহামদুলিল্লাহ্! মাত্র চার মাসে মাহির ও সাত মাসে শাফায়াত পুরো কোরআন শরীফ হেফজ (মুখস্ত) করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। তিনি আরও জানান, মাহির ও শাফায়াতের ঐকান্তিক ইচ্ছা, শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং তাদের পরিবারের সহযোগিতায় আল্লাহ্ তাদেরকে খুব শৈশবেই এই মহাপুরস্কারে ভূষিত করেছেন। মাহির ও শাফায়াত এবং তার মাদ্রাসার জন্য মাওলানা মাহমুদুর রহমান ইমরান দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।


























