০১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে হাসপাতালে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট ও সর্দি-জ্বরের রোগী

  • Update Time : ০৭:১৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা হাসপাতালে বেড়েছে জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সী মহিলা রোগীর সংখ্যাই বেশি। বহির্বিভাগে প্রতিদিন নারী-পুরুষ ও শিশুসহ প্রায় ৪০০ রোগীর চিকিৎসা দেয়া সেবা দেয়া হচ্ছে। ভর্তি হচ্ছেন গড়ে ২০-২৫ জন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ। আজ রবিবার সরেজমিন উপজেলা হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মানুষের দীর্ঘ সারি। এদের মধ্যে নারী ও শিশুদের সংখ্যাই বেশি। তাদের সেবা দিচ্ছেন তিনজন করে সরকারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। দেয়া হচ্ছে পর্যাপ্ত ঔষধও। এদের মধ্যে জটিল রোগীদের ভর্তি করা হচ্ছে ইনডোরে (আন্তবিভাগে)। এসময় জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রাবেয়া বেগম (৪০) নামের একজনের সাথে কথা হয়। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, গত দু’দিন ধরে প্রচণ্ড জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও শরীর ব্যথায় ভুগছেন তিনি। আজ চিকিৎসা নিতে এসেছেন। ইনডোরে চিকিৎসা নেয়া ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, জ্বর আর গলা ও পেট ব্যথা নিয়ে তিনি তিনদিন হাসপাতালের ইনডোরে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়ে এখন কিছুটা সুস্থ বোধ করছেন। এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রহমান মুসা বলেন, আবওহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন ধরনের রোগজীবাণুতে আক্রান্ত হয় মানুষ। শীতের শুরুতে সারাদেশেই রোগীদের সংখ্যা একটু কম হয়। শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে বাড়ে রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহসহ শতাধিক রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। যারা বেশি অসুস্থ তাদের ইনডোরে ভর্তি করে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করছি আমরা। পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম নিয়মিত চালু রাখা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে হাসপাতালে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট ও সর্দি-জ্বরের রোগী

Update Time : ০৭:১৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা হাসপাতালে বেড়েছে জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সী মহিলা রোগীর সংখ্যাই বেশি। বহির্বিভাগে প্রতিদিন নারী-পুরুষ ও শিশুসহ প্রায় ৪০০ রোগীর চিকিৎসা দেয়া সেবা দেয়া হচ্ছে। ভর্তি হচ্ছেন গড়ে ২০-২৫ জন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ। আজ রবিবার সরেজমিন উপজেলা হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মানুষের দীর্ঘ সারি। এদের মধ্যে নারী ও শিশুদের সংখ্যাই বেশি। তাদের সেবা দিচ্ছেন তিনজন করে সরকারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। দেয়া হচ্ছে পর্যাপ্ত ঔষধও। এদের মধ্যে জটিল রোগীদের ভর্তি করা হচ্ছে ইনডোরে (আন্তবিভাগে)। এসময় জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রাবেয়া বেগম (৪০) নামের একজনের সাথে কথা হয়। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, গত দু’দিন ধরে প্রচণ্ড জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও শরীর ব্যথায় ভুগছেন তিনি। আজ চিকিৎসা নিতে এসেছেন। ইনডোরে চিকিৎসা নেয়া ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, জ্বর আর গলা ও পেট ব্যথা নিয়ে তিনি তিনদিন হাসপাতালের ইনডোরে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়ে এখন কিছুটা সুস্থ বোধ করছেন। এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রহমান মুসা বলেন, আবওহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন ধরনের রোগজীবাণুতে আক্রান্ত হয় মানুষ। শীতের শুরুতে সারাদেশেই রোগীদের সংখ্যা একটু কম হয়। শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে বাড়ে রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহসহ শতাধিক রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। যারা বেশি অসুস্থ তাদের ইনডোরে ভর্তি করে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করছি আমরা। পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম নিয়মিত চালু রাখা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ