লন্ডনে ৫০তম বিজয় দিবস উদযাপন করলো বাংলাদেশ হাই কমিশন
- Update Time : ০৫:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১
- / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে লন্ডস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন ৫০তম বিজয় দিবস উদযাপন শুরু করেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে এ ৫০তম বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের নিয়ে দূতাবাস প্রাঙ্গনে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের করে ৫০তম বিজয় দিবস উদযাপনের শুভ সূচনা করেন। এছাড়াও হাইকমিশনারের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিচালনায় সরাসরি সম্প্রচারিত “সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের শপথ” অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে শপথ বাক্য পাঠ করেন। মিশনের কর্মকর্তারা বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন।এরপর জাতির পিতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের অমর আত্মার শান্তি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অব্যাহত সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। রাতে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম-এর সভাপতিত্বে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।সভায় ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের মন্ত্রী লর্ড তারিক আহমদ, লন্ডনে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার গায়ত্রি ইশার কুমার, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন ৫০তম বিজয় দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় যুক্তরাজ্যসহ প্রবাসীদের বাংলাদেশিদের অভিনন্দন জানিয়ে দেশ গঠনে সবাইকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃতে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম জাতির পিতা, ৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অমর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, ‘‘বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য ও স্বপ্নদ্রষ্টা কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিকে ‘সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের শপথ’ বাক্য পাঠ করিয়েছেন।এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই শপথের আলোকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে যার যার অবস্থান থেকে সম্ভাব্য সকল উদ্যোগ ও ভূমিকা গ্রহণ করা।”ব্রিটিশ-বাংলাদেশি তরুণ প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সব ধরনের সংকীর্ণতার উর্দ্ধে থেকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ, প্রগতিশীল ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লোকমান আহমেদ ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক।আলোচনা অনুষ্ঠানের পর ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির শিল্পীরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও বিজয় দিবসকে উৎসর্গ করে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।ইতোপূর্বে ১৬ ডিসেম্বর রাত ১২.০১ মিনিটে লন্ডনে কুইনস গেইটস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন ভবনকে লাল-সবুজে আলোকিত করা হয়।





























