০৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটে ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী আটক

  • Update Time : ০৭:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সিলেট শহরতলীর কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড থেকে ৭ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে আটক করে জালালাবাদ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাসস্ট্যান্ড এলাকাতে এক তরুণকে মারধোরকালে তাদের আটক করেন স্থানীয়রা।

 

 

এর আগে ভোরে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের বিরোধের জেরে এম সি কলেজ হোস্টেল ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এরপর দুপুরে বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে সংগঠনটির ৭ নেতাকর্মী আটকের ঘটনা ঘটলো।

 

 

স্থানীয়রা বাসস্ট্যান্ডে ওই ৭ জনকে আটকে রেখে পুলিশকে অবগত করলে তারা এসে তাদের জালালাবাদ থানায় নিয়ে যায়। তবে মারধোরের শিকার ওই শিক্ষার্থীর নাম জানা যায়নি। একটি সূত্র জানিয়েছে তিনি এম সি কলেজ হোস্টেলের আবাসিক শিক্ষার্থী। সকালে এমসি কলেজ হোস্টেল ভাংচুরের পর তিনি বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে নিজের গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এসময় তিনি হামলার শিকার হন।

 

 

আটকৃকতরা হচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার জাওয়ার আবদুল মান্নানের ছেলে কাউসার, তাহিরপুর উপজেলঅর রতনশ্রী গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে শাওন, সুনামগঞ্জ সদরের অচিন্তপুর এলাকার ইলিয়াস মিয়ার ছেলে রাফিজুল ইসলাম, জগন্নাথপুর উপজেলার কাজীপুর গ্রামের অরবিন্দ চৌধুরীর ছেলে নিউটন চৌধুরী, তাহিরপুর উপজেলার কালিজুড়ি রামনগর এলাকার আব্দুল হাসিমের ছেলে সোহাগ মিয়া, দিরাই উপজেলার কাউয়াজুড়ি গ্রামের আকিল আলীর ছেলে সুমন এবং মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ গ্রামের সুভাষ আচার্য্যের ছেলে সৌরভ আচার্য্য। তারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে ছাত্রলীগের একটিসূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

 

 

এদিকে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ৭ তরুণ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কি কারণে তাদেরকে আটক করা হয়েছে তিনি সেটি নিশ্চিত করতে পারেননি। তিনি বলেন- স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

 

 

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ভোরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় এমসি কলেজ হোস্টেলে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ছাত্রলীগ নেতা টিটু চৌধুরী এবং ডায়মন্ডের নেতৃত্বে এ হামলা ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে জানাগেছে।

 

 

বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে সশস্ত্র অবস্থায় টিটুর নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন ছাত্রলীগ ক্যাডার অতর্কিত হামলা চালায় কলেজ হোস্টেলে। এসময় হোস্টেলের ৪ ও ৫ নম্বর ব্লকের শতাধিক কক্ষের দরজা জানালা ভাংচুর করে। বেশ কয়েকটি কক্ষও ভাংচুর চালায় তারা। প্রায় একঘণ্টা ভাংচুরের পর তারা চলে যায়।

 

 

 

এর আগে আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জিত সরকারের অনুসারী হোসেইন গ্রুপ ও টিটু গ্রুপের মধ্যে বুধবার রাতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাতাহাতি হয়। রাতে হোস্টেলে দু’গ্রুপ অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয় বলে হোস্টেলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সিলেটে ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী আটক

Update Time : ০৭:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সিলেট শহরতলীর কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড থেকে ৭ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে আটক করে জালালাবাদ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাসস্ট্যান্ড এলাকাতে এক তরুণকে মারধোরকালে তাদের আটক করেন স্থানীয়রা।

 

 

এর আগে ভোরে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের বিরোধের জেরে এম সি কলেজ হোস্টেল ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এরপর দুপুরে বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে সংগঠনটির ৭ নেতাকর্মী আটকের ঘটনা ঘটলো।

 

 

স্থানীয়রা বাসস্ট্যান্ডে ওই ৭ জনকে আটকে রেখে পুলিশকে অবগত করলে তারা এসে তাদের জালালাবাদ থানায় নিয়ে যায়। তবে মারধোরের শিকার ওই শিক্ষার্থীর নাম জানা যায়নি। একটি সূত্র জানিয়েছে তিনি এম সি কলেজ হোস্টেলের আবাসিক শিক্ষার্থী। সকালে এমসি কলেজ হোস্টেল ভাংচুরের পর তিনি বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে নিজের গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এসময় তিনি হামলার শিকার হন।

 

 

আটকৃকতরা হচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার জাওয়ার আবদুল মান্নানের ছেলে কাউসার, তাহিরপুর উপজেলঅর রতনশ্রী গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে শাওন, সুনামগঞ্জ সদরের অচিন্তপুর এলাকার ইলিয়াস মিয়ার ছেলে রাফিজুল ইসলাম, জগন্নাথপুর উপজেলার কাজীপুর গ্রামের অরবিন্দ চৌধুরীর ছেলে নিউটন চৌধুরী, তাহিরপুর উপজেলার কালিজুড়ি রামনগর এলাকার আব্দুল হাসিমের ছেলে সোহাগ মিয়া, দিরাই উপজেলার কাউয়াজুড়ি গ্রামের আকিল আলীর ছেলে সুমন এবং মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ গ্রামের সুভাষ আচার্য্যের ছেলে সৌরভ আচার্য্য। তারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে ছাত্রলীগের একটিসূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

 

 

এদিকে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ৭ তরুণ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কি কারণে তাদেরকে আটক করা হয়েছে তিনি সেটি নিশ্চিত করতে পারেননি। তিনি বলেন- স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

 

 

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ভোরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় এমসি কলেজ হোস্টেলে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ছাত্রলীগ নেতা টিটু চৌধুরী এবং ডায়মন্ডের নেতৃত্বে এ হামলা ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে জানাগেছে।

 

 

বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে সশস্ত্র অবস্থায় টিটুর নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন ছাত্রলীগ ক্যাডার অতর্কিত হামলা চালায় কলেজ হোস্টেলে। এসময় হোস্টেলের ৪ ও ৫ নম্বর ব্লকের শতাধিক কক্ষের দরজা জানালা ভাংচুর করে। বেশ কয়েকটি কক্ষও ভাংচুর চালায় তারা। প্রায় একঘণ্টা ভাংচুরের পর তারা চলে যায়।

 

 

 

এর আগে আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জিত সরকারের অনুসারী হোসেইন গ্রুপ ও টিটু গ্রুপের মধ্যে বুধবার রাতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাতাহাতি হয়। রাতে হোস্টেলে দু’গ্রুপ অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয় বলে হোস্টেলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ