০১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতিও ঢলে বন্যায় প্লাবিত হতে পারে ছাতক, সুনামগঞ্জ ও সিলেট অঞ্চল

  • Update Time : ১১:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২০
  • / ১৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জুনাইদ আহমদ :: বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রবল বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনকে পড়তে হয়েছে ভোগান্তিতে।

 

 

এদিকে, সেখানে এই বন্যার পর ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের সিলেট, সুনামগঞ্জ, ছাতক, দোয়ারাবাজারসহ পুরো উত্তরাংশ। বিশেষ করে হাওরাঞ্চল ঘিরে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আসাম বা মেঘালয়ে প্রবল বর্ষণ হলে ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের ছাতক-দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর, কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও সিলেটে এর প্রভাব পড়ে। সেখানকার জলস্রোত তেড়ে আসে ভাটির হাওরাঞ্চলে। ভেসে যায় জনপদের পর জনপদ। অবশ্য এবার এরই মধ্যে হাওরের ধান ঘরে তুলে ফেলেছেন কৃষক। সেজন্য কিছুটা স্বস্তি বিরাজ করছে ওই অঞ্চলের জনপদে।

 

 

জানাগেছে, সোমবার (২৫ মে) প্রবল বর্ষণ শুরু হয় পাহাড়ি জনপদ মেঘালয়ে। এই বর্ষণের কারণে কিছু কিছু এলাকায় ছয় ফুটেরও বেশি পানি জমে যায়। এতে প্লাবিত হয় পশ্চিম গারো পার্বত্য জেলার গোটা রকসামগ্র বাজার। ভেসে যায় ওই শহরে থাকা একটি কোয়ারেন্টিন সেন্টার। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই কোয়ারেন্টিন সেন্টারে থাকা লোকজনকে সরিয়ে নেয়। আরও জানাগেছে, অবিরাম ভারী বর্ষণের কারণে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যায় ভেসে গেছে পশ্চিম গারো পার্বত্য জেলার উত্তরভাগের ১১টি গ্রাম। ভেসে গেছে অনেক সড়ক ও সেতু। কিছু এলাকা প্রবল প্রবহমান নদীতে পরিণত হয়েছে।

 

 

এদিকে কোম্পানিগঞ্জ, ছাতক ও দোয়ারাবাজার সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় কাটাতারের বেড়া বন্যার পানিতে উপড়ে গেছে। মঙ্গলবার সীমান্ত এলাকার বাধ ভেঙে প্রবল বেগে পানির স্রোত ধেয়ে আসছে। ইতিমধ্যে সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ভারতিও ঢলে বন্যায় প্লাবিত হতে পারে ছাতক, সুনামগঞ্জ ও সিলেট অঞ্চল

Update Time : ১১:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২০

জুনাইদ আহমদ :: বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রবল বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনকে পড়তে হয়েছে ভোগান্তিতে।

 

 

এদিকে, সেখানে এই বন্যার পর ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের সিলেট, সুনামগঞ্জ, ছাতক, দোয়ারাবাজারসহ পুরো উত্তরাংশ। বিশেষ করে হাওরাঞ্চল ঘিরে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আসাম বা মেঘালয়ে প্রবল বর্ষণ হলে ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের ছাতক-দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর, কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও সিলেটে এর প্রভাব পড়ে। সেখানকার জলস্রোত তেড়ে আসে ভাটির হাওরাঞ্চলে। ভেসে যায় জনপদের পর জনপদ। অবশ্য এবার এরই মধ্যে হাওরের ধান ঘরে তুলে ফেলেছেন কৃষক। সেজন্য কিছুটা স্বস্তি বিরাজ করছে ওই অঞ্চলের জনপদে।

 

 

জানাগেছে, সোমবার (২৫ মে) প্রবল বর্ষণ শুরু হয় পাহাড়ি জনপদ মেঘালয়ে। এই বর্ষণের কারণে কিছু কিছু এলাকায় ছয় ফুটেরও বেশি পানি জমে যায়। এতে প্লাবিত হয় পশ্চিম গারো পার্বত্য জেলার গোটা রকসামগ্র বাজার। ভেসে যায় ওই শহরে থাকা একটি কোয়ারেন্টিন সেন্টার। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই কোয়ারেন্টিন সেন্টারে থাকা লোকজনকে সরিয়ে নেয়। আরও জানাগেছে, অবিরাম ভারী বর্ষণের কারণে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যায় ভেসে গেছে পশ্চিম গারো পার্বত্য জেলার উত্তরভাগের ১১টি গ্রাম। ভেসে গেছে অনেক সড়ক ও সেতু। কিছু এলাকা প্রবল প্রবহমান নদীতে পরিণত হয়েছে।

 

 

এদিকে কোম্পানিগঞ্জ, ছাতক ও দোয়ারাবাজার সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় কাটাতারের বেড়া বন্যার পানিতে উপড়ে গেছে। মঙ্গলবার সীমান্ত এলাকার বাধ ভেঙে প্রবল বেগে পানির স্রোত ধেয়ে আসছে। ইতিমধ্যে সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ