০৮:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যাত্রীবাহী উড়োজাহাজটি আছড়ে পড়ে তিন খণ্ড : আহত ১২০

  • Update Time : ০৩:৪৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: তুরস্কের ইস্তাম্বুলে একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্তে ১২০ জন গুরুতর আহত হয়েছে। প্যাগাসাস এয়ারলাইনসের বিমানটিতে ১৭১ জন যাত্রী ও ৬ জন ক্রু ছিলেন। স্থানীয় সময় বুধবার বিমানটি তুরস্কের পশ্চিমে ইজমির শহর থেকে যাত্রা করে সাবিহা গোকসেন বিমানবন্দরে অবতরণ করছিল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে সেখানকার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ থকে বলা হয়। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।

 

তুরস্কের পরিবহনমন্ত্রী তুরহান জানান, বোয়িং-৭৩৭ বিমানটি অবতরণের সময় গতিনিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। যার ফলে বিমানটি রানওয়েতে আছড়ে পড়ে। রানওয়েতে আছড়ে পড়ে তিন খণ্ড হয়ে যায় বোয়িং-৭৩৭ বিমানটি। দুর্ঘটনার পরপর বিমানবন্দরের সব কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, বিমানটি অবতরণের সময় ভারী বৃষ্টিপাত এবং ঝোড়ো বাতাস বইছিল। বিমানে তুরস্কের নাগরিক ছাড়াও অন্তত ২০ জন বিদেশি নাগরিক ছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

 

ইতিমধ্যে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বিমানের দুই পাইলট। দুই পাইলটের মধ্যে একজন তুরস্কের আর অন্যজন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ পাইলটদের সঙ্গে কথা বলতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পরিবহনমন্ত্রী।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

যাত্রীবাহী উড়োজাহাজটি আছড়ে পড়ে তিন খণ্ড : আহত ১২০

Update Time : ০৩:৪৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট :: তুরস্কের ইস্তাম্বুলে একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্তে ১২০ জন গুরুতর আহত হয়েছে। প্যাগাসাস এয়ারলাইনসের বিমানটিতে ১৭১ জন যাত্রী ও ৬ জন ক্রু ছিলেন। স্থানীয় সময় বুধবার বিমানটি তুরস্কের পশ্চিমে ইজমির শহর থেকে যাত্রা করে সাবিহা গোকসেন বিমানবন্দরে অবতরণ করছিল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে সেখানকার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ থকে বলা হয়। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।

 

তুরস্কের পরিবহনমন্ত্রী তুরহান জানান, বোয়িং-৭৩৭ বিমানটি অবতরণের সময় গতিনিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। যার ফলে বিমানটি রানওয়েতে আছড়ে পড়ে। রানওয়েতে আছড়ে পড়ে তিন খণ্ড হয়ে যায় বোয়িং-৭৩৭ বিমানটি। দুর্ঘটনার পরপর বিমানবন্দরের সব কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, বিমানটি অবতরণের সময় ভারী বৃষ্টিপাত এবং ঝোড়ো বাতাস বইছিল। বিমানে তুরস্কের নাগরিক ছাড়াও অন্তত ২০ জন বিদেশি নাগরিক ছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

 

ইতিমধ্যে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বিমানের দুই পাইলট। দুই পাইলটের মধ্যে একজন তুরস্কের আর অন্যজন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ পাইলটদের সঙ্গে কথা বলতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পরিবহনমন্ত্রী।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ