০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটে প্রেমিকের মটর সাইকেলে প্রেমিকার পলায়ন না অপহরণ!

  • Update Time : ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

সিলেট থেকে বিশেষ প্রতিনিধি :: সিলেট নগরীর উপশহরে তরুণীকে অপহরণ না স্বেচ্ছায় পলায়ন এই সর্বমহলে কৌতুহল শুরু হয়েছে। স্থানীয় লোকজন অপহরণ বলে দাবী করলেও পুলিশ বলছে অপহরণ নয় স্বেচ্ছায় গমন।

তবে মেয়েটির পরিচয় না জানলেও স্থানীয় জনতা প্রতিবাদে প্রায় ১ ঘন্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। তারা এ জন্যই পুলিশকে দায়ী করেছেন।

জানা যায়, রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপশহরের বি-ব্লক সংলগ্ন মসজিদের পাশের মেইন রাস্তা দিয়ে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাযোগে এক তরুণী এবং তার মা যাচ্ছিলেন।

উপশহর এবিসি পয়েন্টে আসা মাত্রই শাহপরান থানার এস আই নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গাড়ীটি থামায়। তারা গাড়ির কাগজপত্রসহ বিভিন্ন জিনিস জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন।

এ সময় হঠাৎ করে কয়েকজন যুবক মোটর সাইকেল দিয়ে সিএনজির সামনে আসে। তারা পুলিশের সামনে মেয়িটিকে নিয়ে যায়। তবে সে সময় মেয়েটির কোন প্রকার চিৎকার কিংবা কোন উচ্চ শব্দ কেউ শুনতে পান নি। পুলিশ বলছে তাদের সামনে মটর সাইকেলটি আসা মাত্রই মেয়েটি গাড়িতে উঠে স্বেচ্ছায় চলে যায়। তারা হতবাক হয়ে শুধু চেয়েই থাকেন।

অপর দিকে মেয়েটির মা মা অভিযোগ করেছেন, তাঁর মেয়েটিকে অপহরণ করা হয়েছে। এই অপহরণের পিছনে পুলিশের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। তাদের সামনেই তার মেয়কে অপহরণ করলেও পুলিশের নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। পুলিশই এই অপহরনের সাথে জড়িত।

মেয়েটিকে মটর সাইকেলে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁর মা পুলিশের সাথে উচ্চ বাক্যে কথা বার্তা শুরু করেন। কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এমন শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে আসনে। তারা ঘটনার বর্ণনা শুনে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ও অপহরনের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ শুরু করেন। চলে প্রায় ঘন্টা ব্যাপী। অবরোধকারীরা শাহপরান থানার এস আই নুরুলের শাস্তি এবং বরখাস্তের দাবি জানান।

তবে শাহপরাণ থানার ওসি আখতার হোসেনের বলেন, পুলিশী তল্লাশীর অংশ হিসেবে পুলিশ অটো রিক্সাকে সিগন্যাল দেয়। গাড়িটি থামালে অটোরিকশা থেকে মেয়েটি নেমে পাশে থাকা একটি মোটরসাইকেলে উঠে চলে যায়। কোনো অপহরণের ঘটনা ঘটেনি।  (ফাইল ছবি)

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সিলেটে প্রেমিকের মটর সাইকেলে প্রেমিকার পলায়ন না অপহরণ!

Update Time : ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৭

সিলেট থেকে বিশেষ প্রতিনিধি :: সিলেট নগরীর উপশহরে তরুণীকে অপহরণ না স্বেচ্ছায় পলায়ন এই সর্বমহলে কৌতুহল শুরু হয়েছে। স্থানীয় লোকজন অপহরণ বলে দাবী করলেও পুলিশ বলছে অপহরণ নয় স্বেচ্ছায় গমন।

তবে মেয়েটির পরিচয় না জানলেও স্থানীয় জনতা প্রতিবাদে প্রায় ১ ঘন্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। তারা এ জন্যই পুলিশকে দায়ী করেছেন।

জানা যায়, রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপশহরের বি-ব্লক সংলগ্ন মসজিদের পাশের মেইন রাস্তা দিয়ে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাযোগে এক তরুণী এবং তার মা যাচ্ছিলেন।

উপশহর এবিসি পয়েন্টে আসা মাত্রই শাহপরান থানার এস আই নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গাড়ীটি থামায়। তারা গাড়ির কাগজপত্রসহ বিভিন্ন জিনিস জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন।

এ সময় হঠাৎ করে কয়েকজন যুবক মোটর সাইকেল দিয়ে সিএনজির সামনে আসে। তারা পুলিশের সামনে মেয়িটিকে নিয়ে যায়। তবে সে সময় মেয়েটির কোন প্রকার চিৎকার কিংবা কোন উচ্চ শব্দ কেউ শুনতে পান নি। পুলিশ বলছে তাদের সামনে মটর সাইকেলটি আসা মাত্রই মেয়েটি গাড়িতে উঠে স্বেচ্ছায় চলে যায়। তারা হতবাক হয়ে শুধু চেয়েই থাকেন।

অপর দিকে মেয়েটির মা মা অভিযোগ করেছেন, তাঁর মেয়েটিকে অপহরণ করা হয়েছে। এই অপহরণের পিছনে পুলিশের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। তাদের সামনেই তার মেয়কে অপহরণ করলেও পুলিশের নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। পুলিশই এই অপহরনের সাথে জড়িত।

মেয়েটিকে মটর সাইকেলে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁর মা পুলিশের সাথে উচ্চ বাক্যে কথা বার্তা শুরু করেন। কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এমন শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে আসনে। তারা ঘটনার বর্ণনা শুনে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ও অপহরনের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ শুরু করেন। চলে প্রায় ঘন্টা ব্যাপী। অবরোধকারীরা শাহপরান থানার এস আই নুরুলের শাস্তি এবং বরখাস্তের দাবি জানান।

তবে শাহপরাণ থানার ওসি আখতার হোসেনের বলেন, পুলিশী তল্লাশীর অংশ হিসেবে পুলিশ অটো রিক্সাকে সিগন্যাল দেয়। গাড়িটি থামালে অটোরিকশা থেকে মেয়েটি নেমে পাশে থাকা একটি মোটরসাইকেলে উঠে চলে যায়। কোনো অপহরণের ঘটনা ঘটেনি।  (ফাইল ছবি)

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ