১০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভিযোগ প্রমাণের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে মন্তব্য নয়: রেজাউল কারীম আবরার

  • Update Time : ০৯:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অপরাধের অভিযোগ উঠলে তা নিয়ে মন্তব্য করার আগে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল কারীম আবরার। তিনি বলেছেন, কেউ অভিযোগ করলেই অপরাধ প্রমাণিত হয়ে যায় না। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে সমালোচনা করা দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। বিবৃতিতে কওমি মাদ্রাসাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানানো ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই আলেম। মুফতি রেজাউল কারীম আবরার বলেন, রাষ্ট্রে বিভিন্ন ঘটনা ঘটে, শরিয়াবিরোধী আইন প্রণীত হয় এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুরুতর অপরাধের ঘটনা ঘটে। কিন্তু এসব বিষয়ে একশ্রেণির ইসলামি ব্যক্তিত্বকে তেমন সরব হতে দেখা যায় না। অথচ কওমি মাদ্রাসাসংক্রান্ত কোনো ঘটনা গণমাধ্যমে এলে তাদের অনেকে নসিহত নিয়ে হাজির হন। সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামীর এক আলেমের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাভারের একটি মাদ্রাসার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব ঘটনা নিয়ে অনেকে মন্তব্য করেছেন। তবে তার দাবি, সাভারের ঘটনাটি পুরোপুরি মিথ্যা এবং জামায়াতের ওই আলেমের প্রতিষ্ঠানের ঘটনাটিও এখনো প্রমাণিত নয়। তিনি বলেন, মাদ্রাসায় অপরাধ হয় না, এমন দাবি তিনি করছেন না। বরং মাদ্রাসাসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘটিত অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চান তিনি। তবে অভিযোগ উঠলেই কাউকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করার বিরোধিতা করেন।

মুফতি রেজাউল কারীম আবরারের ভাষ্য, বিভিন্ন কারণে ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। তবে এমন অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলোর নাম মাদ্রাসা হলেও সেগুলো মূলত কওমি মাদ্রাসা নয়। তিনি আরও বলেন, কোনও কোনও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কওমি মাদ্রাসার সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও সেসব প্রতিষ্ঠানের ঘটনায় কওমি মাদ্রাসাকে ঘিরে সমালোচনা করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনও ঘটনা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য না জেনে এবং সত্যতা যাচাই না করে মন্তব্য করা দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই নসিহত নিয়ে বসে পড়লে তা ন্যায়বিচারের পরিবর্তে অন্যায় ও অপপ্রচারের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

অভিযোগ প্রমাণের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে মন্তব্য নয়: রেজাউল কারীম আবরার

Update Time : ০৯:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অপরাধের অভিযোগ উঠলে তা নিয়ে মন্তব্য করার আগে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল কারীম আবরার। তিনি বলেছেন, কেউ অভিযোগ করলেই অপরাধ প্রমাণিত হয়ে যায় না। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে সমালোচনা করা দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। বিবৃতিতে কওমি মাদ্রাসাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানানো ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই আলেম। মুফতি রেজাউল কারীম আবরার বলেন, রাষ্ট্রে বিভিন্ন ঘটনা ঘটে, শরিয়াবিরোধী আইন প্রণীত হয় এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুরুতর অপরাধের ঘটনা ঘটে। কিন্তু এসব বিষয়ে একশ্রেণির ইসলামি ব্যক্তিত্বকে তেমন সরব হতে দেখা যায় না। অথচ কওমি মাদ্রাসাসংক্রান্ত কোনো ঘটনা গণমাধ্যমে এলে তাদের অনেকে নসিহত নিয়ে হাজির হন। সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামীর এক আলেমের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাভারের একটি মাদ্রাসার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব ঘটনা নিয়ে অনেকে মন্তব্য করেছেন। তবে তার দাবি, সাভারের ঘটনাটি পুরোপুরি মিথ্যা এবং জামায়াতের ওই আলেমের প্রতিষ্ঠানের ঘটনাটিও এখনো প্রমাণিত নয়। তিনি বলেন, মাদ্রাসায় অপরাধ হয় না, এমন দাবি তিনি করছেন না। বরং মাদ্রাসাসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘটিত অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চান তিনি। তবে অভিযোগ উঠলেই কাউকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করার বিরোধিতা করেন।

মুফতি রেজাউল কারীম আবরারের ভাষ্য, বিভিন্ন কারণে ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। তবে এমন অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলোর নাম মাদ্রাসা হলেও সেগুলো মূলত কওমি মাদ্রাসা নয়। তিনি আরও বলেন, কোনও কোনও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কওমি মাদ্রাসার সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও সেসব প্রতিষ্ঠানের ঘটনায় কওমি মাদ্রাসাকে ঘিরে সমালোচনা করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনও ঘটনা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য না জেনে এবং সত্যতা যাচাই না করে মন্তব্য করা দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই নসিহত নিয়ে বসে পড়লে তা ন্যায়বিচারের পরিবর্তে অন্যায় ও অপপ্রচারের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ