১১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের জন্য স্থায়ী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড

  • Update Time : ০৭:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬
  • / ৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড প্রোগ্রাম স্থায়ী করার কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের ভ্রমণপিপাসু ও ব্যবসায়ীদের ওপর। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এই নতুন নিয়মে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য বি১ এবং বি২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসার শর্ত হিসেবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত বা বন্ড জমা দেওয়ার নিয়ম করা হয়েছে। যদিও এই তালিকায় বেশিরভাগ দেশ আফ্রিকা অঞ্চলের, তবে মার্কিন প্রশাসনের এই ধরনের কঠোর ও বহুমুখী ভিসা কড়াকড়ির নজির অতীতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রর পক্ষ থেকে ভিসা ওভারস্টে (ভিসার মেয়াদ শেষের পরও অবৈধভাবে অবস্থান) রোধে যখনই এমন কঠোর নীতি বা বন্ডের পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়, তখন তা সাধারণ বৈধ আবেদনকারীদের জন্য প্রক্রিয়াটিকে আরও জটিল ও ব্যয়বহুল করে তোলে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, জামানত বা উচ্চ ফি আদায়ের এই সংস্কৃতি এবং কঠোর স্ক্রিনিংয়ের ফলে বাংলাদেশর মতো দেশগুলো থেকে যারা সত্যিকারের ব্যবসায়িক বা পর্যটন উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ করতে চান, তারা বড় ধরনের আর্থিক ও প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়বেন। ট্রাম্প প্রশাসনের এই ধরনের কড়াকড়ি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বৈধ ভ্রমণকারীদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: রয়টার্স।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বাংলাদেশের জন্য স্থায়ী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড

Update Time : ০৭:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড প্রোগ্রাম স্থায়ী করার কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের ভ্রমণপিপাসু ও ব্যবসায়ীদের ওপর। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এই নতুন নিয়মে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য বি১ এবং বি২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসার শর্ত হিসেবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত বা বন্ড জমা দেওয়ার নিয়ম করা হয়েছে। যদিও এই তালিকায় বেশিরভাগ দেশ আফ্রিকা অঞ্চলের, তবে মার্কিন প্রশাসনের এই ধরনের কঠোর ও বহুমুখী ভিসা কড়াকড়ির নজির অতীতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রর পক্ষ থেকে ভিসা ওভারস্টে (ভিসার মেয়াদ শেষের পরও অবৈধভাবে অবস্থান) রোধে যখনই এমন কঠোর নীতি বা বন্ডের পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়, তখন তা সাধারণ বৈধ আবেদনকারীদের জন্য প্রক্রিয়াটিকে আরও জটিল ও ব্যয়বহুল করে তোলে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, জামানত বা উচ্চ ফি আদায়ের এই সংস্কৃতি এবং কঠোর স্ক্রিনিংয়ের ফলে বাংলাদেশর মতো দেশগুলো থেকে যারা সত্যিকারের ব্যবসায়িক বা পর্যটন উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ করতে চান, তারা বড় ধরনের আর্থিক ও প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়বেন। ট্রাম্প প্রশাসনের এই ধরনের কড়াকড়ি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বৈধ ভ্রমণকারীদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: রয়টার্স।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ