০৩:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাতকে হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার

  • Update Time : ০২:০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • / ৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চুরি হয়ে যাওয়া নবজাতক শিশুটি থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ভোরে শিশুটি উদ্ধার করে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার হাসপাতাল কতৃর্পক্ষের ছাড়পত্র না নিয়েই নবজাতককে চুরি করে হাসপাতাল ত্যাগ করেন সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক কাওসার আহমদ ও তার স্ত্রী কল্পনা বেগম। জানা যায়, ৮ জুন সন্ধ্যার পূর্বে উপজেলার সদর ইউনিয়নের আন্ধারীগাঁও সড়কের পাশ থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক কাওসার আহমদ নিজ গাড়ি নিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে শিশুটির কান্না শুনতে পান। এসময় চালক কাওসার গাড়ি থামিয়ে (ছেলে) নবজাতক শিশুটিকে নিয়ে ছাতক হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে নবজাতক টিকে ভর্তি করেন। এরই মধ্যে নবজাতকটিকে রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। নবজাতকটিকে হাসপাতালে ভর্তি করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উপজেলা সমাজসেবা অফিসের আওতায় নিলে নবজাতকটিকে দত্তক নিতে ১৩ জন ব্যক্তি আবেদন করেন। কিন্তু কাওসার আহমেদ বৃহস্পতিবার হাসপাতাল কতৃর্পক্ষের ছাড়পত্র না নিয়েই নবজাতককে চুরি করে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। পরে হাসপাতাল কতৃর্পক্ষ, সমাজ সেবা দপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন তৎপর হয়ে উঠে নবজাতককে উদ্ধার করার জন্য। এরপর ছাতক ও শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে অটোরিকশা চালক কাওসার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের বাদউল্লাহ পুর (মানিকপুর) গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি বাড়ি থেকে কাওসার আহমেদকে আটক করে। এরপর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে কাওসার শিকার করে নবজাতককে নিয়ে তার স্ত্রী কল্পনা বেগম ছাতকে অবস্থান করছে। কাওসারের তথ্যের ভিত্তিতে ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের স্থানীয় বাজার জামে মসজিদের পাশে কাওসারের নানার বাড়ি সৈইদ আলীর বাড়ি থেকে শুক্রবার ভোর রাতে কল্পনা বেগমের কাছ থেকে নবজাতককে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই নবজাতক দত্তক নেয়ার আবেদন কারি ফয়সল আহমদের স্ত্রী রোকসানা বেগমের তত্ত্বাবধানে আবারও ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নবজাতককে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর বলেন, দুই থানার পলিসি অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে নবজাতককে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার

Update Time : ০২:০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চুরি হয়ে যাওয়া নবজাতক শিশুটি থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ভোরে শিশুটি উদ্ধার করে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার হাসপাতাল কতৃর্পক্ষের ছাড়পত্র না নিয়েই নবজাতককে চুরি করে হাসপাতাল ত্যাগ করেন সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক কাওসার আহমদ ও তার স্ত্রী কল্পনা বেগম। জানা যায়, ৮ জুন সন্ধ্যার পূর্বে উপজেলার সদর ইউনিয়নের আন্ধারীগাঁও সড়কের পাশ থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক কাওসার আহমদ নিজ গাড়ি নিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে শিশুটির কান্না শুনতে পান। এসময় চালক কাওসার গাড়ি থামিয়ে (ছেলে) নবজাতক শিশুটিকে নিয়ে ছাতক হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে নবজাতক টিকে ভর্তি করেন। এরই মধ্যে নবজাতকটিকে রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। নবজাতকটিকে হাসপাতালে ভর্তি করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উপজেলা সমাজসেবা অফিসের আওতায় নিলে নবজাতকটিকে দত্তক নিতে ১৩ জন ব্যক্তি আবেদন করেন। কিন্তু কাওসার আহমেদ বৃহস্পতিবার হাসপাতাল কতৃর্পক্ষের ছাড়পত্র না নিয়েই নবজাতককে চুরি করে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। পরে হাসপাতাল কতৃর্পক্ষ, সমাজ সেবা দপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন তৎপর হয়ে উঠে নবজাতককে উদ্ধার করার জন্য। এরপর ছাতক ও শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে অটোরিকশা চালক কাওসার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের বাদউল্লাহ পুর (মানিকপুর) গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি বাড়ি থেকে কাওসার আহমেদকে আটক করে। এরপর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে কাওসার শিকার করে নবজাতককে নিয়ে তার স্ত্রী কল্পনা বেগম ছাতকে অবস্থান করছে। কাওসারের তথ্যের ভিত্তিতে ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের স্থানীয় বাজার জামে মসজিদের পাশে কাওসারের নানার বাড়ি সৈইদ আলীর বাড়ি থেকে শুক্রবার ভোর রাতে কল্পনা বেগমের কাছ থেকে নবজাতককে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই নবজাতক দত্তক নেয়ার আবেদন কারি ফয়সল আহমদের স্ত্রী রোকসানা বেগমের তত্ত্বাবধানে আবারও ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নবজাতককে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর বলেন, দুই থানার পলিসি অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে নবজাতককে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ