০৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাওর রক্ষায় সরকারকে মেগা প্রকল্পে হাত দিতে হবে: শিশির মনির

  • Update Time : ০১:৩৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / ৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: বৃষ্টিপাতের কারণে হাওরাঞ্চলে তলিয়ে গেছে কৃষকদের হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি। কৃষক কাটতে পারেন নি তাদের সোনালী ধান। যারা কেটেছেন তারাও পড়েছেন মহাবিপদে। রোদ নেই, অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে ধান জমিতেই পচে চাড়া গজিয়েছে। এখন কৃষক যাবে কই, খাবে কি? শনিবার সকালে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বিভিন্ন হাওর পরিদর্শন শেষে দিরাই উপজেলার বরাম হাওর থেকে ফেসবুক লাইভে এসে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ শিশির মনির এসব কথা বলেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকে কৃষি দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কৃষকের এই দুঃসময়ে সরকার এবং বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও সংস্থা কৃষকদের পাশে এগিয়ে আসা উচিত। এছাড়াও সরকার ৩ মাসের জন্য কৃষকদের যে আর্থিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, তা ইমিডিয়েট পাঠানো দরকার বলে তিনি মনে করেন।

শিশির মনির আরও বলেন, প্রতি বছরই হাওরে জলাবদ্ধতার ঘটনা ঘটবে, গত চৈত্র মাসে আমরা দেখেছি হাওরে পানি নাই, হাওর এমনভাবে শুকিয়েছিল এসময় মানুষ জমিতে পানি দিবে কোথা থেকে খুঁজে পাচ্ছিল না এবং সেচের কোন ব্যবস্থাও ছিল না। আর এখন বৈশাখ মাসে হাওরের যেদিকে চোখ যায়, শুধু পানি আর পানি। আসলে এটা কোন নদীর পানি না, বন্যার পানিও না- এটা কেবলই বৃষ্টির পানি। এ পানি হাওরে জমা হয়, কোথাও যায় না, যেতে পারে না, যাওয়ার কোন রাস্তা নেই। প্রতি বছর হাওরে অপরিকল্পিত পিআইসি বাঁধ দিয়ে দিয়ে হাওরগুলোর এ অবস্থা করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের ভাটি অঞ্চলের সবকটি হাওরের একই অবস্থা। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে, সরকারকে মেগা প্রকল্পে হাত দিতে হবে। এখানে খাল, বিল, নদী খনন করতে হবে। পানি থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। পানি যেটা আসবে, সেটা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। যথেষ্ট স্লুইচগেট করতে হবে। একটা হাওর থেকে আরেকটা হাওর আলাদা করতে হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

হাওর রক্ষায় সরকারকে মেগা প্রকল্পে হাত দিতে হবে: শিশির মনির

Update Time : ০১:৩৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: বৃষ্টিপাতের কারণে হাওরাঞ্চলে তলিয়ে গেছে কৃষকদের হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি। কৃষক কাটতে পারেন নি তাদের সোনালী ধান। যারা কেটেছেন তারাও পড়েছেন মহাবিপদে। রোদ নেই, অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে ধান জমিতেই পচে চাড়া গজিয়েছে। এখন কৃষক যাবে কই, খাবে কি? শনিবার সকালে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বিভিন্ন হাওর পরিদর্শন শেষে দিরাই উপজেলার বরাম হাওর থেকে ফেসবুক লাইভে এসে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ শিশির মনির এসব কথা বলেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকে কৃষি দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কৃষকের এই দুঃসময়ে সরকার এবং বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও সংস্থা কৃষকদের পাশে এগিয়ে আসা উচিত। এছাড়াও সরকার ৩ মাসের জন্য কৃষকদের যে আর্থিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, তা ইমিডিয়েট পাঠানো দরকার বলে তিনি মনে করেন।

শিশির মনির আরও বলেন, প্রতি বছরই হাওরে জলাবদ্ধতার ঘটনা ঘটবে, গত চৈত্র মাসে আমরা দেখেছি হাওরে পানি নাই, হাওর এমনভাবে শুকিয়েছিল এসময় মানুষ জমিতে পানি দিবে কোথা থেকে খুঁজে পাচ্ছিল না এবং সেচের কোন ব্যবস্থাও ছিল না। আর এখন বৈশাখ মাসে হাওরের যেদিকে চোখ যায়, শুধু পানি আর পানি। আসলে এটা কোন নদীর পানি না, বন্যার পানিও না- এটা কেবলই বৃষ্টির পানি। এ পানি হাওরে জমা হয়, কোথাও যায় না, যেতে পারে না, যাওয়ার কোন রাস্তা নেই। প্রতি বছর হাওরে অপরিকল্পিত পিআইসি বাঁধ দিয়ে দিয়ে হাওরগুলোর এ অবস্থা করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের ভাটি অঞ্চলের সবকটি হাওরের একই অবস্থা। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে, সরকারকে মেগা প্রকল্পে হাত দিতে হবে। এখানে খাল, বিল, নদী খনন করতে হবে। পানি থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। পানি যেটা আসবে, সেটা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। যথেষ্ট স্লুইচগেট করতে হবে। একটা হাওর থেকে আরেকটা হাওর আলাদা করতে হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ