০২:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে শিক্ষা বিস্তারে এগিয়ে আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • Update Time : ০৫:৫৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০১৭
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রাথমিক শিক্ষা বিস্তারে উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক ক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এগিয়ে রয়েছে। শিক্ষার গুণগতমান, শিক্ষার পরিবেশ ও অবকাটামো দিক থেকে বিদ্যালয়টি সুবিধাজনক স্থানে হওয়ায় দিনদিন এগিয়ে চলেছে প্রাচীনতম এ বিদ্যালয়টি।

 

 

দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে এ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন স্থানীয় দিঘলবাক গ্রামের বাসিন্দা মৃত নুর উদ্দিনের ছেলে শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও শালিসি মুজিবুর রহমান। তাঁর প্রাণপন প্রচেষ্টায় অত্র বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণসহ শিক্ষার হার ও মান এগিয়ে গেলেও বর্তমানে তিনি সভাপতির দায়িত্বে নেই। এছাড়া মুজিবুর রহমান ১১৯২ সালে দিঘলবাক সুলেমানপুর (এসএস) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ১৯৯৩-৯৪ সালে দিঘলবাক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ১৯৯৯ সালে দিঘলবাক উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

অথচ গত কয়েক দিন আগে স্থানীয় দিঘলবাক গ্রামের মৃত আবদুল করিমের ছেলে আহাদ মিয়া বাদী হয়ে সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী দিঘলবাক ক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নেয়া ও স্লিপের টাকা আত্মসাতের একটি অভিযোগ জগন্নাথপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দায়ের করেন।

 

 

এ নিয়ে এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যক্তি দিঘলবাক ক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান বলেন, গ্রামের আহাদ মিয়ার সাথে আমাদের পূর্ব বিরোধ আছে। ডাকাতিসহ বিভিন্ন মামলায় আহাদ মিয়া কারাভোগ করেছে। সে মুর্খ ও খারাপ চরিত্রের লোক জাল দস্তখত দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। এদিকে-চেষ্টা করেও অভিযোগকারী আহাদ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জগন্নাথপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, তদন্তক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে শিক্ষা বিস্তারে এগিয়ে আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক প্রাথমিক বিদ্যালয়

Update Time : ০৫:৫৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রাথমিক শিক্ষা বিস্তারে উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক ক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এগিয়ে রয়েছে। শিক্ষার গুণগতমান, শিক্ষার পরিবেশ ও অবকাটামো দিক থেকে বিদ্যালয়টি সুবিধাজনক স্থানে হওয়ায় দিনদিন এগিয়ে চলেছে প্রাচীনতম এ বিদ্যালয়টি।

 

 

দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে এ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন স্থানীয় দিঘলবাক গ্রামের বাসিন্দা মৃত নুর উদ্দিনের ছেলে শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও শালিসি মুজিবুর রহমান। তাঁর প্রাণপন প্রচেষ্টায় অত্র বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণসহ শিক্ষার হার ও মান এগিয়ে গেলেও বর্তমানে তিনি সভাপতির দায়িত্বে নেই। এছাড়া মুজিবুর রহমান ১১৯২ সালে দিঘলবাক সুলেমানপুর (এসএস) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ১৯৯৩-৯৪ সালে দিঘলবাক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ১৯৯৯ সালে দিঘলবাক উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

অথচ গত কয়েক দিন আগে স্থানীয় দিঘলবাক গ্রামের মৃত আবদুল করিমের ছেলে আহাদ মিয়া বাদী হয়ে সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী দিঘলবাক ক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নেয়া ও স্লিপের টাকা আত্মসাতের একটি অভিযোগ জগন্নাথপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দায়ের করেন।

 

 

এ নিয়ে এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যক্তি দিঘলবাক ক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান বলেন, গ্রামের আহাদ মিয়ার সাথে আমাদের পূর্ব বিরোধ আছে। ডাকাতিসহ বিভিন্ন মামলায় আহাদ মিয়া কারাভোগ করেছে। সে মুর্খ ও খারাপ চরিত্রের লোক জাল দস্তখত দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। এদিকে-চেষ্টা করেও অভিযোগকারী আহাদ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জগন্নাথপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, তদন্তক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ