জগন্নাথপুরে শিক্ষা বিস্তারে এগিয়ে আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক প্রাথমিক বিদ্যালয়
- Update Time : ০৫:৫৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০১৭
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রাথমিক শিক্ষা বিস্তারে উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক ক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এগিয়ে রয়েছে। শিক্ষার গুণগতমান, শিক্ষার পরিবেশ ও অবকাটামো দিক থেকে বিদ্যালয়টি সুবিধাজনক স্থানে হওয়ায় দিনদিন এগিয়ে চলেছে প্রাচীনতম এ বিদ্যালয়টি।
দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে এ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন স্থানীয় দিঘলবাক গ্রামের বাসিন্দা মৃত নুর উদ্দিনের ছেলে শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও শালিসি মুজিবুর রহমান। তাঁর প্রাণপন প্রচেষ্টায় অত্র বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণসহ শিক্ষার হার ও মান এগিয়ে গেলেও বর্তমানে তিনি সভাপতির দায়িত্বে নেই। এছাড়া মুজিবুর রহমান ১১৯২ সালে দিঘলবাক সুলেমানপুর (এসএস) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ১৯৯৩-৯৪ সালে দিঘলবাক হাফিজিয়া মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ১৯৯৯ সালে দিঘলবাক উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অথচ গত কয়েক দিন আগে স্থানীয় দিঘলবাক গ্রামের মৃত আবদুল করিমের ছেলে আহাদ মিয়া বাদী হয়ে সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী দিঘলবাক ক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নেয়া ও স্লিপের টাকা আত্মসাতের একটি অভিযোগ জগন্নাথপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দায়ের করেন।
এ নিয়ে এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যক্তি দিঘলবাক ক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান বলেন, গ্রামের আহাদ মিয়ার সাথে আমাদের পূর্ব বিরোধ আছে। ডাকাতিসহ বিভিন্ন মামলায় আহাদ মিয়া কারাভোগ করেছে। সে মুর্খ ও খারাপ চরিত্রের লোক জাল দস্তখত দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। এদিকে-চেষ্টা করেও অভিযোগকারী আহাদ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জগন্নাথপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, তদন্তক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

























