০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • Update Time : ০১:৪৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / ৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় সীমা বেগম (২৪) নামে এক কুরআনে হাফেজা তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের নিজ বাড়ির একটি নির্মাণাধীন কক্ষের বারান্দা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সীমা বেগম ওই গ্রামের ময়না মিয়ার মেয়ে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে পরিবারের সবার সঙ্গে খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান সীমা। রাতে এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। ভোরের কোনো এক সময় তিনি অলক্ষ্যে ঘরের পাশের একটি নির্মাণাধীন কক্ষের বারান্দায় গিয়ে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সকালে তাকে বিছানায় না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বারান্দায় তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের বড় ভাই লাহিন মিয়া জানান, সীমা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তাকে সুস্থ করতে ডাক্তার ও কবিরাজিসহ বিভিন্নভাবে চিকিৎসা করানো হচ্ছিল। এমনকি ঘটনার দিন রাতেও তাকে চিকিৎসার জন্য সিলেট শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ০১:৪৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় সীমা বেগম (২৪) নামে এক কুরআনে হাফেজা তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের নিজ বাড়ির একটি নির্মাণাধীন কক্ষের বারান্দা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সীমা বেগম ওই গ্রামের ময়না মিয়ার মেয়ে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে পরিবারের সবার সঙ্গে খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান সীমা। রাতে এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। ভোরের কোনো এক সময় তিনি অলক্ষ্যে ঘরের পাশের একটি নির্মাণাধীন কক্ষের বারান্দায় গিয়ে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সকালে তাকে বিছানায় না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বারান্দায় তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের বড় ভাই লাহিন মিয়া জানান, সীমা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তাকে সুস্থ করতে ডাক্তার ও কবিরাজিসহ বিভিন্নভাবে চিকিৎসা করানো হচ্ছিল। এমনকি ঘটনার দিন রাতেও তাকে চিকিৎসার জন্য সিলেট শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ