০২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকাতির সময় নিজ সদস্যকে গুলি করে হত্যা, ঘাতক ডাকাত গ্রেফতার

  • Update Time : ০১:৩৭:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / ৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: ডাকাতি করতে গিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে নিজ দলের সদস্য নিহতের ঘটনায় জড়িত অন্যতম আসামি আব্দুল করিম ওরফে রেজাউল করিমকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। গ্রেফতারকৃত আব্দুল করিম সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার সেনাপতির চক গ্রামের মো. আব্দুল খালিকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে সিলেট ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ৪টি ডাকাতিসহ মোট ৭টি মামলা রয়েছে। পুলিশ ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২৮ এপ্রিল দিবাগত রাত ৩টার দিকে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দাসেরবাজার এলাকার দক্ষিণ লঘাটি গ্রামে জনৈক আব্দুল কুদ্দুছের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেয়। তখন ওই বাড়িতে সপরিবারে বসবাস করছিলেন কাঞ্চনপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিন (৬০)। ডাকাতরা রান্নাঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে গিয়াস উদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যরা ভেতর থেকে কলাপসিবল গেট চেপে ধরেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে এক ডাকাত গিয়াস উদ্দিনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ভাগ্যক্রমে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ডাকাতদলেরই সদস্য সাইফুল ইসলামের মাথায় বিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাইফুল মারা গেলে তার মরদেহ ফেলে অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গৃহকর্তা গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মানিরুজ্জামান খান জানান, সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি এবং জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দেবল চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘাতক ডাকাত আব্দুল করিমের অবস্থান শনাক্ত করে। শনিবার বিকেলে কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওসি আরও জানান, রবিবার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে সে ডাকাতির চেষ্টা এবং গুলিবর্ষণের ঘটনার বর্ণনা দেওয়ার পাশাপাশি তার সহযোগীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করেছে। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতার ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ডাকাতির সময় নিজ সদস্যকে গুলি করে হত্যা, ঘাতক ডাকাত গ্রেফতার

Update Time : ০১:৩৭:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: ডাকাতি করতে গিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে নিজ দলের সদস্য নিহতের ঘটনায় জড়িত অন্যতম আসামি আব্দুল করিম ওরফে রেজাউল করিমকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। গ্রেফতারকৃত আব্দুল করিম সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার সেনাপতির চক গ্রামের মো. আব্দুল খালিকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে সিলেট ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ৪টি ডাকাতিসহ মোট ৭টি মামলা রয়েছে। পুলিশ ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২৮ এপ্রিল দিবাগত রাত ৩টার দিকে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দাসেরবাজার এলাকার দক্ষিণ লঘাটি গ্রামে জনৈক আব্দুল কুদ্দুছের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেয়। তখন ওই বাড়িতে সপরিবারে বসবাস করছিলেন কাঞ্চনপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিন (৬০)। ডাকাতরা রান্নাঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে গিয়াস উদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যরা ভেতর থেকে কলাপসিবল গেট চেপে ধরেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে এক ডাকাত গিয়াস উদ্দিনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ভাগ্যক্রমে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ডাকাতদলেরই সদস্য সাইফুল ইসলামের মাথায় বিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাইফুল মারা গেলে তার মরদেহ ফেলে অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গৃহকর্তা গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মানিরুজ্জামান খান জানান, সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি এবং জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দেবল চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘাতক ডাকাত আব্দুল করিমের অবস্থান শনাক্ত করে। শনিবার বিকেলে কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওসি আরও জানান, রবিবার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে সে ডাকাতির চেষ্টা এবং গুলিবর্ষণের ঘটনার বর্ণনা দেওয়ার পাশাপাশি তার সহযোগীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করেছে। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতার ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ