উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা-ভাঙচুর
- Update Time : ১২:২০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ১২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইসিজি মেশিন, ওজন পরিমাপক যন্ত্র, পানির কল ও রোগীদের ব্যবহৃত একাধিক বিছানাসহ বেশ কিছু চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে চিকিৎসাধীন এক যুবককে ফের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের রোগী, স্বজন ও চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের সাকিতপুর গ্রামে বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের জেরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, সাকিতপুর গ্রামে জীবু চৌধুরী বাঁশ কাটতে গেলে একই গ্রামের জাহাঙ্গীর তাতে বাধা দেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে জীবু চৌধুরী গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষের খবর পেয়ে জাহাঙ্গীরের ভাই আনহার সরদার লোকজন নিয়ে হাসপাতালে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন জীবু চৌধুরীর ওপর তাঁরা ফের হামলা চালান। এ সময় জরুরি বিভাগে ভাঙচুর চালানো হয়। এতে হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি রোগী ও তাঁদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভাঙচুরে একটি ইসিজি মেশিন, পানির কল, ওজন পরিমাপক যন্ত্র ও রোগীদের ব্যবহৃত একাধিক বিছানাসহ বেশ কিছু সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাকেন্দ্রে এ ধরনের ঘটনায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এব্যাপারে আনহার সরদারের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে দিরাই ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. প্রশান্ত তালুকদার বলেন, সাকিতপুর গ্রামের মারামারির ঘটনায় আহত এক রোগী জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ইসিজি মেশিনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঊর্ধ্বতন স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার খবর পেয়ে দিরাই থানা-পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তী অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।




























