বিচারের পরিবর্তে ষড়যন্ত্রের মুখে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা আলিমা
- Update Time : ০১:৩০:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
- / ২০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: ৪ সন্তানের জননী এক বিধবা নারী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ তুলে অনাগত সন্তানের পিতৃপরিচয়ের দাবিতে স্থানীয় সমাজপতিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ওই নারী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের চন্দলপুর গ্রামের মৃত লেচু মিয়ার স্ত্রী আলিমা বেগম ৪ সন্তান নিয়ে কষ্টে জীবনযাপন করে আসছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিবেশী আব্দুল আজাদ ওরফে ভান্ডা (পিতা- আব্দুর রেজাক) ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে আলিমা বেগম ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হলে এবং আলিমা বিয়ের দাবি জানালে অভিযুক্ত আজাদ ঘটনাটি অস্বীকার করে টালবাহানা শুরু করে।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে গ্রামের মাতব্বরদের জানালে তারা সুষ্ঠু সমাধানের পরিবর্তে গড়িমসি করছেন। এমনকি গ্রামের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযুক্ত আজাদকে বাঁচাতে অন্তঃসত্ত্বা ওই নারীকে ফুসলিয়ে অন্য কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে আলিমা বেগম বলেন, আমার এই অবস্থার জন্য আব্দুল আজাদ ওরফে ভান্ডা দায়ী। সে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সাথে সম্পর্ক করেছে। এখন আমাকে নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে অন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য। আমি আমার অনাগত সন্তানের পিতৃপরিচয় ও নায্য বিচার চাই। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সুজন মিয়া জানান, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। ডিএনএ টেস্ট ছাড়া নিশ্চিতভাবে কাউকে দায়ী করা সম্ভব নয়। তবে সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, “এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”



















