২০ বছরেও সংযোগ সড়ক পায়নি সেতু, ঝুঁকিতে চলছে পুরোনো ব্রিজ
- Update Time : ০১:৫০:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
- / ৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: প্রায় ২০ বছর ধরে ব্যবহারহীন অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে একটি সেতু। এক পাশে পাকা সড়ক থাকলেও অন্য পাশে নেই কোনো সংযোগ সড়ক। ফলে কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নির্মিত সেতুটি আজ এলাকাবাসীর কাছে যেন এক রহস্য আর অপচয়ের প্রতীক। সরেজমিনে দেখা যায়, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের রূপনগর গ্রামে সরু একটি খালের ওপর নির্মিত সেতুটির একপাশে পাকা রাস্তা গিয়ে শেষ হয়েছে। অপর পাশে রয়েছে ধানি জমি ও আঁকাবাঁকা মেঠোপথ। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় সেতুর গায়ে জমেছে শ্যাওলা, রেলিংয়ের বিভিন্ন অংশেও দেখা দিয়েছে ভাঙন। অথচ সেতুর পাশেই ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো একটি ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহনের চালকেরা। উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, শাহজিবাজার-বাঘাসুরা-ছাতিয়াইন বাজার সড়কের রূপনগর অংশে পুরোনো সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় স্থানীয়দের দাবির মুখে প্রায় ২০ বছর আগে প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন সেতুটি নির্মাণ করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, পুরোনো সেতু ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর বাধার মুখে তা বাস্তবায়ন করা যায়নি। পরে বাজেট ফেরত যাওয়ার আশঙ্কায় সংযোগ সড়ক ছাড়াই নির্মাণ করা হয় নতুন সেতুটি। স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুর রহমান রাসেল বলেন, “নতুন সেতু চালু না হওয়ায় বাধ্য হয়ে সবাই পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ব্যবহার করছে। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।” এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন, “আমি এখানে যোগদানের অনেক আগেই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। শুনেছি, সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি না পাওয়ায় কাজটি সম্পন্ন হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।” জমির মালিক কবির মিয়া বলেন, “জমি আমি কিনেছি। বিনামূল্যে দেওয়ার কোনো কথা কখনো বলিনি। বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিলে জমি দিতে আমার আপত্তি নেই।” স্থানীয় বাঘাসুরা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জোসনা আক্তার বলেন, “মাত্র দুই শতক জায়গা পেলেই সংযোগ সড়ক করা সম্ভব। সামান্য জমির জন্য ১২ লাখ টাকার সেতু বছরের পর বছর অকেজো পড়ে আছে।”




























