০৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সালিশে বসার আগেই সংঘর্ষ, আহত ৩০

  • Update Time : ০৪:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: মাছ ধরা ও নিষিদ্ধ রিং জাল চুরির ঘটনায় বর্তমান ও সাবেক দুই ইউপি সদস্যের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের ইমামনগর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাওরে মাছ ধরা ও রিং জাল চুরি নিয়ে ইমামনগর গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য হান্নান মিয়া ও সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল লতিফ গ্রুপের মানুষের মধ্যে অনেক দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এই দ্বন্দ্ব মীমাংসায় শুক্রবার সকালে বৈরাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম ও স্থানীয় গণ্যমান্যরা সালিশের আয়োজন করে। কিন্তু সালিশ শুরুর আগেই গ্রাম সংলগ্ন খোলা ময়দানে হঠাৎ দুই পক্ষের লোকজন দা, বল্লম ও টেঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। বৈরাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসার জন্যই তিনি গ্রামে গিয়েছিলেন। কিন্তু উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনেই দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে সবার সম্মিলিত চেষ্টায় সংঘর্ষ থামানো হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অষ্টগ্রাম সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. দিদারুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সালিশে বসার আগেই সংঘর্ষ, আহত ৩০

Update Time : ০৪:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: মাছ ধরা ও নিষিদ্ধ রিং জাল চুরির ঘটনায় বর্তমান ও সাবেক দুই ইউপি সদস্যের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের ইমামনগর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাওরে মাছ ধরা ও রিং জাল চুরি নিয়ে ইমামনগর গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য হান্নান মিয়া ও সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল লতিফ গ্রুপের মানুষের মধ্যে অনেক দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এই দ্বন্দ্ব মীমাংসায় শুক্রবার সকালে বৈরাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম ও স্থানীয় গণ্যমান্যরা সালিশের আয়োজন করে। কিন্তু সালিশ শুরুর আগেই গ্রাম সংলগ্ন খোলা ময়দানে হঠাৎ দুই পক্ষের লোকজন দা, বল্লম ও টেঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। বৈরাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসার জন্যই তিনি গ্রামে গিয়েছিলেন। কিন্তু উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনেই দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে সবার সম্মিলিত চেষ্টায় সংঘর্ষ থামানো হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অষ্টগ্রাম সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. দিদারুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ