০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রিজ নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

  • Update Time : ১১:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: একটি প্রস্তাবিত ব্রিজ নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতরদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেটের বালাগঞ্জ-খসরুপুর সড়কের করচারপাড় এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, এলজিইডির উদ্যোগে করচারপাড় এলাকায় একটি ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে স্থানীয় ভূমি মালিকদের দাবি, প্রস্তাবিত জায়গাটি ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং সেখানে কোনো সরকারি খাল বা নালা নেই। ব্রিজ নির্মিত হলে তাদের ভিটেমাটি ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দীর্ঘ দিন ধরে তারা এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। ঘটনার দিন বিকেলে একটি পক্ষ ব্রিজ নির্মাণের সমর্থনে ওই স্থানে কর্মসূচি পালন করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। ভুক্তভোগী পক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম মসাইদ অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা খালেদ আহমদ কেলনসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভূমি মালিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় তাদের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। এতে মুকিদ মিয়া, আব্দুল বারী, রেজিয়া বেগম ও তামিম আহমদসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খালেদ আহমদ কেলন বলেন, তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন, কিন্তু অপর পক্ষই উস্কানি দিয়ে মারমুখী পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। বালাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুনিম বলেন, ব্রিজ নির্মাণের বিষয়টি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ব্যাপার। সেখানে কেন কর্মসূচি পালন করা হলো, তা আমার বোধগম্য নয়। মনে হচ্ছে অতি উৎসাহী কোনো মহল ফায়দা লোটার জন্য সাধারণ গ্রামবাসীকে ব্যবহার করে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টের চেষ্টা করছে। বালাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ তরফদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ব্রিজ নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

Update Time : ১১:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: একটি প্রস্তাবিত ব্রিজ নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতরদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেটের বালাগঞ্জ-খসরুপুর সড়কের করচারপাড় এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, এলজিইডির উদ্যোগে করচারপাড় এলাকায় একটি ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে স্থানীয় ভূমি মালিকদের দাবি, প্রস্তাবিত জায়গাটি ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং সেখানে কোনো সরকারি খাল বা নালা নেই। ব্রিজ নির্মিত হলে তাদের ভিটেমাটি ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দীর্ঘ দিন ধরে তারা এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। ঘটনার দিন বিকেলে একটি পক্ষ ব্রিজ নির্মাণের সমর্থনে ওই স্থানে কর্মসূচি পালন করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। ভুক্তভোগী পক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম মসাইদ অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা খালেদ আহমদ কেলনসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভূমি মালিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় তাদের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। এতে মুকিদ মিয়া, আব্দুল বারী, রেজিয়া বেগম ও তামিম আহমদসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খালেদ আহমদ কেলন বলেন, তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন, কিন্তু অপর পক্ষই উস্কানি দিয়ে মারমুখী পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। বালাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুনিম বলেন, ব্রিজ নির্মাণের বিষয়টি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ব্যাপার। সেখানে কেন কর্মসূচি পালন করা হলো, তা আমার বোধগম্য নয়। মনে হচ্ছে অতি উৎসাহী কোনো মহল ফায়দা লোটার জন্য সাধারণ গ্রামবাসীকে ব্যবহার করে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টের চেষ্টা করছে। বালাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ তরফদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ