১২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে প্রবাসীকে নির্বাচন কর্মকর্তার চড়, তোলপাড়

  • Update Time : ০৪:১৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)সংক্রান্ত সেবা নিতে এসে জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন এক প্রবাসী। সবার সামনে পর্তুগাল প্রবাসী ওই যুবকের দুই গালে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী প্রবাসী সিলেটে জকিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি জানান, ২০১৮ সালে কাজের উদ্দেশ্যে পর্তুগাল যান এবং দীর্ঘদিন পর ১৪ আগস্ট দেশে ফেরেন। এনআইডিসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে বিমানের টিকিটসহ প্রয়োজনীয় সব বৈধ কাগজপত্র নিয়ে তিনি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। সেখানে আবেদনটি তিনি নিজে জমা দিয়েছেন কি না। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে কর্মকর্তা আসন ছেড়ে উঠে এসে তাকে কক্ষের বাইরে এনে সবার সামনে চড় মারেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই প্রবাসী বলেন, আমি রেমিট্যান্স যোদ্ধা হয়েও এমন অপমানের শিকার হলাম। প্রয়োজনীয় নথি দেখানো সত্তে¡ও আমাকে জেলা প্রশাসকের কাছে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার এমন আচরণে আমি ভীষণ লজ্জিত ও আতঙ্কিত।

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন দাবি করেন, এনআইডি আবেদনে ফেস ডিটেকশনসহ কিছু নিয়ম থাকে। তিনি অন্য কাউকে দিয়ে আবেদন করিয়েছেন কি না তা নিয়ে একটু বাগ্বিতণ্ডা ও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি সমাধান করে তাকে নতুন করে আবেদনের সঠিক নিয়ম বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সিলেটে প্রবাসীকে নির্বাচন কর্মকর্তার চড়, তোলপাড়

Update Time : ০৪:১৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)সংক্রান্ত সেবা নিতে এসে জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন এক প্রবাসী। সবার সামনে পর্তুগাল প্রবাসী ওই যুবকের দুই গালে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী প্রবাসী সিলেটে জকিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি জানান, ২০১৮ সালে কাজের উদ্দেশ্যে পর্তুগাল যান এবং দীর্ঘদিন পর ১৪ আগস্ট দেশে ফেরেন। এনআইডিসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে বিমানের টিকিটসহ প্রয়োজনীয় সব বৈধ কাগজপত্র নিয়ে তিনি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। সেখানে আবেদনটি তিনি নিজে জমা দিয়েছেন কি না। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে কর্মকর্তা আসন ছেড়ে উঠে এসে তাকে কক্ষের বাইরে এনে সবার সামনে চড় মারেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই প্রবাসী বলেন, আমি রেমিট্যান্স যোদ্ধা হয়েও এমন অপমানের শিকার হলাম। প্রয়োজনীয় নথি দেখানো সত্তে¡ও আমাকে জেলা প্রশাসকের কাছে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার এমন আচরণে আমি ভীষণ লজ্জিত ও আতঙ্কিত।

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন দাবি করেন, এনআইডি আবেদনে ফেস ডিটেকশনসহ কিছু নিয়ম থাকে। তিনি অন্য কাউকে দিয়ে আবেদন করিয়েছেন কি না তা নিয়ে একটু বাগ্বিতণ্ডা ও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি সমাধান করে তাকে নতুন করে আবেদনের সঠিক নিয়ম বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ