০২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাথরুমে গৃহবধুর গলায় ফাঁস, প্রবাসী স্বামী আটক

  • Update Time : ০৭:১০:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: মুর্শেদা আক্তার সাথী (১৮) নামে এক নববধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামীকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের দাবি পারিবারিক কলহে মেরে ফেলা হয়েছে তাকে। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের করইগ্রামে মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাতে। আজ বুধবার (৬ এপ্রিল) ময়না তদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, করইগ্রাম এলাকার কুতুব আলীর প্রবাসী ছেলে জামাল মিয়ার সাথে দুই মাস আগে বিয়ে হয় একই গ্রামের মুজিবুর রহমানের মেয়ে মুর্শেদা আক্তার সাথীর। সাথী এ বছর সোনালী স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে হয় তাদের। সাথীকে পরিবার পছন্দ করলেও জামালের মন ধরেনি। একাণে বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক কলহ লেগেই ছিল। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেয়েটি মারা গেলেও ছেলের পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়ের বাড়িতে জানানো হয়নি। রাত ১২ টার দিকে জামালের পাশের বাড়ির ইমরান নামে এক ছেলে মেয়ের বাবাকে ফোন করে বিষয়টি জানায়। পরে মেয়ের আত্মীয়স্বজন এসে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে রাত ৩টার দিকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এসময় মেয়ের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে জামালকেও আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। জামাল মধ্যপ্রাচ্যের কাতার প্রবাসী। এবিষয়ে পৃথিমপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তাহির আলী জানান, মেয়েটির আসলে বিয়ের বয়সই হয়নি। স্থানীয় একটি স্কুলে সে লেখাপড়া করতো। এমন ঘটনা দু:খজনক। তিনি বলেন, শ্বশুর বাড়ির বাথরুমে ওড়না দিয়ে জানালার সাথে ফাঁস লাগানো অবস্থায় লাশটি থাকলেও দু’টি পা মাটিতে লাগানো ছিল।

 

কুলাউড়া থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ জানান, লাশের সুরতহাল তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ ২৫০ শয্যা মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গৃহবধুর পরিবারের মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে জামালকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বাথরুমে গৃহবধুর গলায় ফাঁস, প্রবাসী স্বামী আটক

Update Time : ০৭:১০:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২

ডেস্ক রিপোর্ট :: মুর্শেদা আক্তার সাথী (১৮) নামে এক নববধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামীকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের দাবি পারিবারিক কলহে মেরে ফেলা হয়েছে তাকে। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের করইগ্রামে মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাতে। আজ বুধবার (৬ এপ্রিল) ময়না তদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, করইগ্রাম এলাকার কুতুব আলীর প্রবাসী ছেলে জামাল মিয়ার সাথে দুই মাস আগে বিয়ে হয় একই গ্রামের মুজিবুর রহমানের মেয়ে মুর্শেদা আক্তার সাথীর। সাথী এ বছর সোনালী স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে হয় তাদের। সাথীকে পরিবার পছন্দ করলেও জামালের মন ধরেনি। একাণে বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক কলহ লেগেই ছিল। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেয়েটি মারা গেলেও ছেলের পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়ের বাড়িতে জানানো হয়নি। রাত ১২ টার দিকে জামালের পাশের বাড়ির ইমরান নামে এক ছেলে মেয়ের বাবাকে ফোন করে বিষয়টি জানায়। পরে মেয়ের আত্মীয়স্বজন এসে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে রাত ৩টার দিকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এসময় মেয়ের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে জামালকেও আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। জামাল মধ্যপ্রাচ্যের কাতার প্রবাসী। এবিষয়ে পৃথিমপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তাহির আলী জানান, মেয়েটির আসলে বিয়ের বয়সই হয়নি। স্থানীয় একটি স্কুলে সে লেখাপড়া করতো। এমন ঘটনা দু:খজনক। তিনি বলেন, শ্বশুর বাড়ির বাথরুমে ওড়না দিয়ে জানালার সাথে ফাঁস লাগানো অবস্থায় লাশটি থাকলেও দু’টি পা মাটিতে লাগানো ছিল।

 

কুলাউড়া থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ জানান, লাশের সুরতহাল তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ ২৫০ শয্যা মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গৃহবধুর পরিবারের মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে জামালকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ