০১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লাখো নেতাকর্মীর ভালবাসায় সিক্ত প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : ০৩:২৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: লাখো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় সিক্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানবন্দর থেকে গণভবন পৌঁছেছেন। জাতিসংঘে ৭২তম সাধারণ অধিবেশন যোগ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর করে ৩ সপ্তাহ পর শনিবার (০৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে দেশে ফিরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা উপলক্ষে বিমানবন্দর থেকে গণভবন যাওয়ার পথে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে শ্রদ্ধা জানান। এসময় তাকে একনজর দেখতে দলীয় নেতাকর্মীর বাহিরে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে। নেতাকর্মীদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি যুক্ত বিভিন্ন ধরনের প্লেকার্ড দেখা যায়।

এছাড়া জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ফুলল শুভেচছা জানান নেতাকর্মীরা। এছাড়া অনেক নেতাকর্মী গান গেয়ে, বাদ্য যন্ত্র বাজিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানান। এসময় প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের হাত নাড়িয়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যান তিনি। অধিবেশন শেষে পিত্তথলির অপারেশন করান। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে সেখানে কয়েক দিন বিশ্রাম নিয়ে নির্ধারিত সময়ের ৫দিন পর দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিমানবন্দরে নেমে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বেড়েছে। সেটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশ আজ বিপন্ন মানবতাকে আশ্রয় দিচ্ছে। মানুষ মানুষের জন্য, আমরা সেটা প্রমাণ করেছি। আমরা প্রথমে দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের মাত্রা দেখে আমরা তাদের জন্য বাংলাদেশের দরজা খুলে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার এখন আন্তর্জাতিক চাপে আলোচনায় এসেছে। আমরা আশা করছি, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান করতে পারবো। আমরা রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তাদের আইডি কার্ড করে দিচ্ছি। তাদের জন্য থাকার ব্যবস্থা, স্যানিটেশন, খাদ্যের ব্যবস্থা করেছি।

সীমান্তে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর তৎপরতা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশীদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছিল যে, তারা যুদ্ধ চায়। কিন্তু আমরা সতর্ক ছিলাম। কোনও ধরনের উস্কানিতে আমরা পা দেইনি।

তিনি বলেন, আমি ওখানে (যুক্তরাষ্ট্র) থাকলেও দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। রোহিঙ্গাদের খোঁজখবর নিয়েছি। এখন তো সবকিছু ডিজিটাল। তাই ওখান থেকেই কাজকর্মও সেরেছি।

আগামীতে দেশ যাতে বিশ্বের কাছে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেজন্য সকলকে এক সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

লাখো নেতাকর্মীর ভালবাসায় সিক্ত প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৩:২৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: লাখো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় সিক্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানবন্দর থেকে গণভবন পৌঁছেছেন। জাতিসংঘে ৭২তম সাধারণ অধিবেশন যোগ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর করে ৩ সপ্তাহ পর শনিবার (০৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে দেশে ফিরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা উপলক্ষে বিমানবন্দর থেকে গণভবন যাওয়ার পথে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে শ্রদ্ধা জানান। এসময় তাকে একনজর দেখতে দলীয় নেতাকর্মীর বাহিরে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে। নেতাকর্মীদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি যুক্ত বিভিন্ন ধরনের প্লেকার্ড দেখা যায়।

এছাড়া জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ফুলল শুভেচছা জানান নেতাকর্মীরা। এছাড়া অনেক নেতাকর্মী গান গেয়ে, বাদ্য যন্ত্র বাজিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানান। এসময় প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের হাত নাড়িয়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যান তিনি। অধিবেশন শেষে পিত্তথলির অপারেশন করান। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে সেখানে কয়েক দিন বিশ্রাম নিয়ে নির্ধারিত সময়ের ৫দিন পর দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিমানবন্দরে নেমে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বেড়েছে। সেটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশ আজ বিপন্ন মানবতাকে আশ্রয় দিচ্ছে। মানুষ মানুষের জন্য, আমরা সেটা প্রমাণ করেছি। আমরা প্রথমে দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের মাত্রা দেখে আমরা তাদের জন্য বাংলাদেশের দরজা খুলে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার এখন আন্তর্জাতিক চাপে আলোচনায় এসেছে। আমরা আশা করছি, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান করতে পারবো। আমরা রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তাদের আইডি কার্ড করে দিচ্ছি। তাদের জন্য থাকার ব্যবস্থা, স্যানিটেশন, খাদ্যের ব্যবস্থা করেছি।

সীমান্তে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর তৎপরতা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশীদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছিল যে, তারা যুদ্ধ চায়। কিন্তু আমরা সতর্ক ছিলাম। কোনও ধরনের উস্কানিতে আমরা পা দেইনি।

তিনি বলেন, আমি ওখানে (যুক্তরাষ্ট্র) থাকলেও দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। রোহিঙ্গাদের খোঁজখবর নিয়েছি। এখন তো সবকিছু ডিজিটাল। তাই ওখান থেকেই কাজকর্মও সেরেছি।

আগামীতে দেশ যাতে বিশ্বের কাছে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেজন্য সকলকে এক সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ