আজ কাবা শরিফে পরানো হবে স্বর্ণখচিত নতুন গিলাফ
- Update Time : ১১:২৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মূলত কাবা শরীফের গিলাফ তৈরি হয় মক্কার ‘উম্মুদ জুদ’ নামক এলাকায় বিশেষ কারখানায়। গিলাফ তৈরির জন্য আট থেকে দশ মাস দেড় শতাধিক বিশেষজ্ঞ ওই কারখানায় কাজ করেন।
প্রতি গিলাফ তৈরিতে ব্যয় হয় ২২ মিলিয়ন রিয়াল (প্রায় ৬ মিলিয়ন ডলার)। গিলাফের কাপড় বুননে প্রায় ৭০০ কিলোগ্রাম কাঁচা রেশম ব্যবহার করা হয় এবং ১২০ কিলোগ্রাম পরিমাণ খাঁটি স্বর্ণ-রুপার প্রলেপ দেয়া হয়। গিলাফের এক অংশে বিভিন্ন ইসলামী কারুকার্য খচিত থাকে। আরেক অংশে থাকে কুরআনের বিভিন্ন আয়াত।
গিলাফ পরিবর্তনের কাজে মসজিদুল হারামের দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক নেতৃত্ব দেন। এ সময় সৌদি বাদশার প্রতিনিধিসহ দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।কাবা শরীফের দরজা ও বাইরের গিলাফ দুটোই মজবুত রেশমি কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয়। গিলাফের মোট পাঁচটি টুকরো বানানো হয়। চারটি টুকরো চারদিকে এবং পঞ্চম টুকরোটি দরজায় লাগানো হয়। টুকরোগুলো পরস্পর সেলাইযুক্ত।
ইতিহাস বলছে, ১৯৬২ সাল পর্যন্ত কাবা ঘরের গিলাফ মিসর থেকে তৈরি হয়ে আসতো। তবে মাঝখানে ১৯২৮ সাল থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত ব্যবহৃত কাবার গিলাফ সৌদি আরবের মক্কায় তৈরি হয়েছিল। ১৯৩৯ থেকে ১৯৬২ পর্যন্ত পুনরায় মিসর সে দায়িত্ব পালন করেছে। বর্তমানে সৌদি আরবে তৈরি হওয়া এ গিলাফও মিশরের অনুকরণে তৈরি হচ্ছে। কাবার গিলাফে এক তৃতীয়াংশের উপর দিকে ৯৫ সেন্টিমিটার প্রস্থের বন্ধনীতে কুরআনের বিভিন্ন আয়াত খচিত থাকে। তবে উত্তরদিকের অংশে লেখা থাকে, ‘খাদেমুল হারামাইন শরীফাইনের বাদশাহর নির্দেশে এ গিলাফ পবিত্র নগরী মক্কায় তৈরি করা হয়েছে’।




























