০১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে বৃদ্ধের আত্মহত্যা নিয়ে প্রশ্ন

  • Update Time : ০৯:১৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ আগস্ট ২০১৭
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কলি বেগম :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক বৃদ্ধের আত্মহত্যা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ঘটনাটি আপোষে নিস্পত্তি হয়েছে।
জানাগেছে, গত শুক্রবার রাতে জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ্ইউনিয়নের টিআরগাঁও গ্রামের উস্তার উল্লাহ ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী লিলমতি বেগমের মধ্যে সকেসের গ্লাস অন্যকে দেয়া নিয়ে ঝগড়া হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বয়োবৃদ্ধ উস্তার উল্লার (৭০) ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। উস্তার উল্লার প্রথম স্ত্রীর ছেলে সাজাদ মিয়া ও দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে জাকির হোসেন লাশটি মাটিতে নামান।

সরজমিনে দেখা যায়, উস্তার পায়ে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ক্ষত স্থানে তাজা রক্ত ঝড়ছে। এ সময় উস্তার দ্বিতীয় স্ত্রী লিমমতি বেগম, ছেলে সাজাদ মিয়া ও জাকির হোসেন দাবি করেন উস্তার উল্লাহ নিজ ঘরের তীরের সাথে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। তারা সকালে উস্তার সারাসব্দ না পেয়ে দরজা খোলে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। এক প্রশ্নের জবাবে উস্তার উল্লার স্ত্রী লিলমতি বেগম জানান, ঘাস কাটতে গিয়ে তিনি পায়ে আঘাত পেয়ে ছিলেন।

এদিকে-উস্তার উল্লার মৃত্যুর খবর পেয়ে দিরাই উপজেলার কামরিবিচ গ্রাম থেকে আসা উস্তার উল্লার চাচাতো ভাই হারুন মিয়াসহ তাদের লোকজন অভিযোগ করেন উস্তার উল্লাহ আত্মহত্যা করেননি। তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে অবশেষে তাদের অভিযোগ টিকেনি। পরে জগন্নাথপুর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী রেজাউল করিম রিজুর মধ্যস্থতায় বিষয়টি আপোষে নিস্পত্তি হয়েছে। কারো কোন অভিযোগ না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশটি দাফন করা হয়। এ সময় এলকার গন্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ওসি হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি মিটিংয়ে ছিলাম। তবে খোঁজ-খবর নিচ্ছি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে বৃদ্ধের আত্মহত্যা নিয়ে প্রশ্ন

Update Time : ০৯:১৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ আগস্ট ২০১৭

কলি বেগম :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক বৃদ্ধের আত্মহত্যা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ঘটনাটি আপোষে নিস্পত্তি হয়েছে।
জানাগেছে, গত শুক্রবার রাতে জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ্ইউনিয়নের টিআরগাঁও গ্রামের উস্তার উল্লাহ ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী লিলমতি বেগমের মধ্যে সকেসের গ্লাস অন্যকে দেয়া নিয়ে ঝগড়া হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বয়োবৃদ্ধ উস্তার উল্লার (৭০) ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। উস্তার উল্লার প্রথম স্ত্রীর ছেলে সাজাদ মিয়া ও দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে জাকির হোসেন লাশটি মাটিতে নামান।

সরজমিনে দেখা যায়, উস্তার পায়ে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ক্ষত স্থানে তাজা রক্ত ঝড়ছে। এ সময় উস্তার দ্বিতীয় স্ত্রী লিমমতি বেগম, ছেলে সাজাদ মিয়া ও জাকির হোসেন দাবি করেন উস্তার উল্লাহ নিজ ঘরের তীরের সাথে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। তারা সকালে উস্তার সারাসব্দ না পেয়ে দরজা খোলে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। এক প্রশ্নের জবাবে উস্তার উল্লার স্ত্রী লিলমতি বেগম জানান, ঘাস কাটতে গিয়ে তিনি পায়ে আঘাত পেয়ে ছিলেন।

এদিকে-উস্তার উল্লার মৃত্যুর খবর পেয়ে দিরাই উপজেলার কামরিবিচ গ্রাম থেকে আসা উস্তার উল্লার চাচাতো ভাই হারুন মিয়াসহ তাদের লোকজন অভিযোগ করেন উস্তার উল্লাহ আত্মহত্যা করেননি। তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে অবশেষে তাদের অভিযোগ টিকেনি। পরে জগন্নাথপুর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী রেজাউল করিম রিজুর মধ্যস্থতায় বিষয়টি আপোষে নিস্পত্তি হয়েছে। কারো কোন অভিযোগ না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশটি দাফন করা হয়। এ সময় এলকার গন্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ওসি হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি মিটিংয়ে ছিলাম। তবে খোঁজ-খবর নিচ্ছি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ