০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আগামী মাস থেকে ফের চালু হচ্ছে ১০টাকা কেজি চাল

  • Update Time : ০৪:৫৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: আগামী মাস থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা দরে ৩০ কেজি করে চাল দেবে সরকার। নির্বাচনের আগে এই কর্মসূচির নিয়ে সরকার কোনো অনিয়ম দেখতে চায় না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। বুধবার খাদ্য অধিদফতরের সভাকক্ষে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক (আরসি ফুড) ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের (ডিসি ফুড) উদ্দেশ্যে মন্ত্রী একথা বলেন।
নীতিমালা অনুযায়ী বছরের মার্চ, এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর এই পাঁচ মাস ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেয়া হয় বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী। কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কামরুল ইসলাম বলেন, সুবিধাভোগীদের তালিকা করার ক্ষেত্রে ভুল-ভ্রান্তি থাকতেই পারে। কিন্তু এবার আমরা মোটামুটি নির্ভুলভাবে এই কাজটা করতে চাই, ডিস্ট্রিবিউশনটা করতে চাই। এটা নির্বাচনের বছর, আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচন। নির্বাচনের বছরে চাই না কোনো রকম অনিময় হোক, কোনো রকম অনিয়মের চিত্র পত্র-পত্রিকায়, মিডিয়ায় আসুক। তিনি আরও বলেন, আমি ডিসি ফুড, আরসি ফুড কর্মকর্তাদের বলব, আপনারা অত্যন্ত সচেতন থাকবেন কোথাও যাতে কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত না হয়। কোথাও কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তা সংশোধনের ব্যবস্থা করবেন। আমি পরিষ্কার বলতে চাই, কোথাও যাতে কোনো অনিয়ম না হয় সেজন্য আপনারা অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ থাকবেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এখন যে কেউ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে যেকোনো স্থানের সুবিধাভোগীদের সংখ্যা, নাম-ঠিকানা দেখতে পারেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এই কর্মসূচির তালিকা প্রস্তুতের সঙ্গে জড়িত জানিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, তাদের মধ্যেও রেষারেষি আছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে। অনেক ক্ষেত্রে রেষারেষির কারণে ম্যানিপুলেট করে সংবাদ সরবরাহ করার চেষ্টা করে। সেদিকেও আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি বলেন, কোনো রকমের দুর্নীতি, কোনো রকমের অস্বচ্ছতা সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর- এই তিন মাসের কর্মসূচিতে যাতে ধরা না পরে। আমি চাই, এবারে এই কর্মসূচি একেবারে নির্ভুল হোক। সব ধরনের ত্রুটিমুক্ত এই কর্মসূচিটি যাতে এই কর্মসূচিটি থাকে।
খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের বছরে কোনো পক্ষ সরকারকে আনপপুলার (অজনপ্রিয়) করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে সরকারের দোষত্রুটি তুলে ধরার চেষ্টা করতে পারে। এবার সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। একটি পক্ষ সেই চেষ্টা করতে পারে, তাই এ ব্যাপারে আপনারা সতর্ক থাকবেন।
তিনি বলেন, রেকর্ড পরিমাণ মজুদ আমাদের এখন রয়েছে। বাজারে চালের দাম বাড়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ আছে আমাদের।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

আগামী মাস থেকে ফের চালু হচ্ছে ১০টাকা কেজি চাল

Update Time : ০৪:৫৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: আগামী মাস থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা দরে ৩০ কেজি করে চাল দেবে সরকার। নির্বাচনের আগে এই কর্মসূচির নিয়ে সরকার কোনো অনিয়ম দেখতে চায় না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। বুধবার খাদ্য অধিদফতরের সভাকক্ষে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক (আরসি ফুড) ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের (ডিসি ফুড) উদ্দেশ্যে মন্ত্রী একথা বলেন।
নীতিমালা অনুযায়ী বছরের মার্চ, এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর এই পাঁচ মাস ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেয়া হয় বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী। কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কামরুল ইসলাম বলেন, সুবিধাভোগীদের তালিকা করার ক্ষেত্রে ভুল-ভ্রান্তি থাকতেই পারে। কিন্তু এবার আমরা মোটামুটি নির্ভুলভাবে এই কাজটা করতে চাই, ডিস্ট্রিবিউশনটা করতে চাই। এটা নির্বাচনের বছর, আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচন। নির্বাচনের বছরে চাই না কোনো রকম অনিময় হোক, কোনো রকম অনিয়মের চিত্র পত্র-পত্রিকায়, মিডিয়ায় আসুক। তিনি আরও বলেন, আমি ডিসি ফুড, আরসি ফুড কর্মকর্তাদের বলব, আপনারা অত্যন্ত সচেতন থাকবেন কোথাও যাতে কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত না হয়। কোথাও কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তা সংশোধনের ব্যবস্থা করবেন। আমি পরিষ্কার বলতে চাই, কোথাও যাতে কোনো অনিয়ম না হয় সেজন্য আপনারা অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ থাকবেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এখন যে কেউ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে যেকোনো স্থানের সুবিধাভোগীদের সংখ্যা, নাম-ঠিকানা দেখতে পারেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এই কর্মসূচির তালিকা প্রস্তুতের সঙ্গে জড়িত জানিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, তাদের মধ্যেও রেষারেষি আছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে। অনেক ক্ষেত্রে রেষারেষির কারণে ম্যানিপুলেট করে সংবাদ সরবরাহ করার চেষ্টা করে। সেদিকেও আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি বলেন, কোনো রকমের দুর্নীতি, কোনো রকমের অস্বচ্ছতা সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর- এই তিন মাসের কর্মসূচিতে যাতে ধরা না পরে। আমি চাই, এবারে এই কর্মসূচি একেবারে নির্ভুল হোক। সব ধরনের ত্রুটিমুক্ত এই কর্মসূচিটি যাতে এই কর্মসূচিটি থাকে।
খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের বছরে কোনো পক্ষ সরকারকে আনপপুলার (অজনপ্রিয়) করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে সরকারের দোষত্রুটি তুলে ধরার চেষ্টা করতে পারে। এবার সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। একটি পক্ষ সেই চেষ্টা করতে পারে, তাই এ ব্যাপারে আপনারা সতর্ক থাকবেন।
তিনি বলেন, রেকর্ড পরিমাণ মজুদ আমাদের এখন রয়েছে। বাজারে চালের দাম বাড়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ আছে আমাদের।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ