জগন্নাথপুরের নব-বধূ এসিড খাওয়া নিয়ে পরস্পর বিরোধী মতামত
- Update Time : ০৪:২৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ আগস্ট ২০১৮
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের বাউধরণ গ্রামের এক নব-বধূর এসিড খাওয়া নিয়ে পরস্পর বিরোধেী মতামত পাওয়া গেছে।
জানাগেছে, গত ১৪ আগষ্ট বাউধরণ গ্রামের বশির মিয়ার মেয়ে শেফা বেগমের (২৪) বিয়ে হয় দিরাই থানার হাতিয়া গ্রামের হাজী আবদুর রহমানের ছেলে ব্রুনাই প্রবাসী মোজাম্মেল হকের সাথে। বিয়ের ২ দিন পর ১৬ আগষ্ট বর মোজাম্মেল হক তার নব-বধূকে নিয়ে ফিরাযাত্রা অনুষ্ঠানে দিরাই থেকে জগন্নাথপুরে শ^শুরালয়ে যান। এখানে রাতে নব-বধূ বিভিন্ন মানসিক রোগে ভোগেন। এ সময় স্থানীয় এক হুজুরকে দিয়ে ঝাড়ফুক করানো হয়। তাতেও সুস্থ না হওয়ায় স্ত্রীকে শ^শুরালয়ে রেখে বর তার বাড়িতে ফিরে যান।
এদিকে-ঘটনার ৩ দিন পর ১৯ আগষ্ট রোববার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে নব-বধূকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে এসিড খাওয়া রোগী বলে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে রোগী তার পিতার বাড়িতে আছেন বলে নব-বধূর মামা আবদুল মান্নান জানান।
এ ব্যাপারে নব-বধূ শেফা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী তাকে পানির সাথে কৌশলে এসিড খাইয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি জানান, তার স্বামীর অন্য মেয়ের সাথে সম্পর্ক থাকায় তাকে এসিড খাওয়ানো হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তার স্বামী ব্রুনাই প্রবাসী মোজাম্মেল হক বলেন, আমার স্ত্রী ও শ^াশুরী মানসিক রোগী। এসব তথ্য গোপন করে শামসুল নামের ব্যক্তি আমাকে এ বিয়ে করিয়ে বিপাকে ফেলেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে আমি তালাক দিতে পারি এমন আশঙ্কায় তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে ফাসাতে চাইছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় ইউপি সদস্য সুহেল রানা বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা। অযথা কনের বাড়ির লোকজন অপপ্রচার করছে।
এদিকে-২৩ আগষ্ট বৃহস্পতিবার জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য ঠাকন মিয়া বলেন, বিষয়টি কতটুকু সত্য বুঝতে পারছিনা। তবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
























