০৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে রাস্তার বেহাল দশা : সরাসরি যানবাহন চলাচল বন্ধ, অর্ধলক্ষাধিক মানুষ ভোগান্তির শিকার

  • Update Time : ০২:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাটের উপর দিয়ে অকাল বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া রাস্তাঘাটের পানি কমতি শুরুর সাথে সাথে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া ভাঙ্গনের শিকার কাছা-পাকা এসবরাস্তা-ঘাটে প্রতিদিন চলছে গাড়ি অার অাহত হচ্ছেন যাত্রী সাধারন।

 

উপজেলার ভবের বাজার-সৈয়দপুর হয়ে নয়াবন্দর টু খাঠালখাই রাস্তার বেহাল দশা। এই সড়ক নিয়ে জগন্নাথপুর পত্রিকা সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বার বার সংবাদের শিরোনাম হলেও বাস্তবে সংস্কারের উদ্যােগে গ্রহন করা হলেও একটানা সংস্কার কাজ শুরু হয়নি। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন জগন্নাথপুর উপজেলার সাধারন সম্পাদক হাজি সোহেল অাহমদ খান টুনু জানান, এই অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘ দিন যাবত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।
তিনি অারো জানান এই সড়কের জন্য এলাকাবাসী অনেক চেষ্টা করেও মানবিক কোন উন্নয়ন সংস্কার পাননি। অাশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব কবি ও গবেষক দীনুল ইসলাম বাবুল জানান, এই রাস্তার উন্নয়নের জন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ রাস্তায় নেমে মানববন্ধন করে তাদের দাবি জগন্নাথপুর পত্রিকা সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের মাধ্যমে স্থানীয় এমপি, সরকারের মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন, কিন্তু রাস্তার উন্নয়নের কাজ হবে হচ্ছে শুন্তে শুন্তে অামাদের কানে তালা লেগেগেছে।
উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সম্প্রতি উজান থেকে অাসা পানি ও বারিবর্ষণে কাছা-পাকা বাড়ি-ঘরে ও রাস্তা-ঘাটে পানি উঠে মানুষের ভোগান্তি চরম অাকার ধারন করেছে। উপজেলা সদর থেকে কাতিয়া বাজারের সাথে সরাসরি গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়েগেছে। ভাঙ্গাবাড়ি নামকস্থানে গাড়ি গিয়ে অাটকে যায়, সেখানে কুশিয়ারা নদীর কারনে অকাল বন্যার পানিতে ভেঙ্গে গেছে সড়ক। ঘোষগাওঁ ব্রিজে উঠার এক পাশের বর্তমান অবস্তা খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যানাবাহন চলাচল করছে। সড়কটির এমন করুন দশায় জনসাধারণের ভোগান্তি দেখার যেন কেউ নেই। প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুরের বর্তমান সড়কগুলো যেমনতেমন তার চেয়ে অকাল বন্যায় অধিক রাস্তার বেহাল দশা যা নিজ চোখে না দেখলে মনে হবে টিভি বা ইন্টারনেটের কোন নাটকের গল্প।

 

জগন্নাথপুর উপজেলায় প্রায় ৪ লক্ষ মানুষের বসবাস। এ উপজেলার অন্যতম সড়ক হচ্ছে ভবের-সৈয়দপুর বাজার- নয়াবন্দর টু খাঠালখাই-গোয়ালাবাজার। জগন্নাথপুর উপজেলার ব্যস্ততম সড়ক হচ্ছে ভবের-সৈয়দপুর বাজার। এ সড়কের মধ্যেখানে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কয়েকটি। এ সড়ক দিয়ে এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা চলাচল করে থাকেন প্রতিদিন। সড়কের মধ্যেখানে ইশানকোনায় লাইসিয়াম স্কুলের ঠিক সামনে দীর্ঘ দিন যাবত গর্ত। এ সড়কের মধ্যেখানে ইশানকোনায় হাফিজিয়া মহিলা মাদ্রাসার সামনেও রয়েছে গর্ত। এসব গর্তে পানি জমে থাকে সব সময়। এ সব গর্ত দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ গাড়ি নিয়ে চলাচল করেন, তাদের চোকের সামনে এসব গর্তগুলো অায়নার মতো পরিস্কার রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্থে সংস্কারের উদ্যােগে গ্রহন করা অতি জরুরি।

 

জগন্নাথপুর টু সুনামগঞ্জ সড়কের মধ্যেখানে বিভিন্ন ব্রিজে উঠতে নামতে ব্রিজের মুখে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। অনেক ব্রিজ অাবার ঝুঁকিপুর্ন রয়েছে জনসার্থে এসব সংস্থার জরুরি।

 

কয়েক বছর পূর্বে সৈয়দপুর থেকে নয়াবন্দর-গোয়ালাবাজার হয়ে এই সড়ক দিয়ে সরাসরি সিলেটে বাস চলাচল ছিল কিন্তু সড়কের সীমাহীন ভাঙ্গনের পর সঠিক কোন সংস্কারের কাজ না হওয়ায় সৈয়দপুর-নয়াবন্দর টু সিলেট সরাসরি বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায় যা অাজো চালু হয়নি। এতে এ অঞ্চলের মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। এ অঞ্চলের সড়ক খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যানাবাহন চলাচল করছে। সড়কটির এমন করুন দশা ও জনসাধারণের ভোগান্তি দেখার যেন কেউ নেই। যদিও প্রায়ই এ সড়ক দিয়ে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের লোকজনও মাঝে মধ্যে যাতায়াত করছেন। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। সড়কের নাজুক অবস্থার কারণে বাধ্য হয়ে ধীরে ধীরে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই রাস্তা দিয়ে সুস্থ সবল মানুষ চলাচল করলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পরেন,অার রোগীদের অবস্তা তো অারো খারাপ হয়ে যায়। ডেলিভারির রোগীকে সিলেটে নিয়ে যেতে চাইলেও রাস্তায় গাড়িতে ডেলিভারি সন্তান জন্ম হওয়ার এমন একাধিক ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি। এই ভাঙ্গা সড়ক দিয়ে বর্তমানে চলাচল সিএনজি ৫জন নাহলে সিএনজি ছাড়া হয়নি তাও ভাড়া তুলনার চেয়ে অধিক যার কারন এই ভাঙা সড়ক। চালকেরাও এই ভাঙ্গা সড়কে গাড়ি চালাতে নারাজ কেননা তাদের গাড়িতে কদিন পরপরও মেরামত কাজ করাতে হয়। সব মিলিয়ে অকাল বন্যায় এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে অতীতের চেয়ে অারো অধিক ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত হয়েছে। সড়কের নাজুক অবস্থার কারণে বাধ্য হয়ে এলাকার সমাজ সচেতন ব্যক্তিবর্গের অান্তরিক অপচেষ্টায় নয়াবন্দর টু খাঠালখাই রাস্তায় ব্যক্তি উদ্যােগে কয়েক ট্রাক ইটও পেলেছেন।

 

এলাকাবাসী ও অাশ-পাশের উপজেলার লোকজন সহ সর্বশ্রেণীর মানু্ষের প্রাণের দাবি লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে অাসার অনুরোধ জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে রাস্তার বেহাল দশা : সরাসরি যানবাহন চলাচল বন্ধ, অর্ধলক্ষাধিক মানুষ ভোগান্তির শিকার

Update Time : ০২:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাটের উপর দিয়ে অকাল বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া রাস্তাঘাটের পানি কমতি শুরুর সাথে সাথে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া ভাঙ্গনের শিকার কাছা-পাকা এসবরাস্তা-ঘাটে প্রতিদিন চলছে গাড়ি অার অাহত হচ্ছেন যাত্রী সাধারন।

 

উপজেলার ভবের বাজার-সৈয়দপুর হয়ে নয়াবন্দর টু খাঠালখাই রাস্তার বেহাল দশা। এই সড়ক নিয়ে জগন্নাথপুর পত্রিকা সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বার বার সংবাদের শিরোনাম হলেও বাস্তবে সংস্কারের উদ্যােগে গ্রহন করা হলেও একটানা সংস্কার কাজ শুরু হয়নি। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন জগন্নাথপুর উপজেলার সাধারন সম্পাদক হাজি সোহেল অাহমদ খান টুনু জানান, এই অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘ দিন যাবত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।
তিনি অারো জানান এই সড়কের জন্য এলাকাবাসী অনেক চেষ্টা করেও মানবিক কোন উন্নয়ন সংস্কার পাননি। অাশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব কবি ও গবেষক দীনুল ইসলাম বাবুল জানান, এই রাস্তার উন্নয়নের জন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ রাস্তায় নেমে মানববন্ধন করে তাদের দাবি জগন্নাথপুর পত্রিকা সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের মাধ্যমে স্থানীয় এমপি, সরকারের মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন, কিন্তু রাস্তার উন্নয়নের কাজ হবে হচ্ছে শুন্তে শুন্তে অামাদের কানে তালা লেগেগেছে।
উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সম্প্রতি উজান থেকে অাসা পানি ও বারিবর্ষণে কাছা-পাকা বাড়ি-ঘরে ও রাস্তা-ঘাটে পানি উঠে মানুষের ভোগান্তি চরম অাকার ধারন করেছে। উপজেলা সদর থেকে কাতিয়া বাজারের সাথে সরাসরি গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়েগেছে। ভাঙ্গাবাড়ি নামকস্থানে গাড়ি গিয়ে অাটকে যায়, সেখানে কুশিয়ারা নদীর কারনে অকাল বন্যার পানিতে ভেঙ্গে গেছে সড়ক। ঘোষগাওঁ ব্রিজে উঠার এক পাশের বর্তমান অবস্তা খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যানাবাহন চলাচল করছে। সড়কটির এমন করুন দশায় জনসাধারণের ভোগান্তি দেখার যেন কেউ নেই। প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুরের বর্তমান সড়কগুলো যেমনতেমন তার চেয়ে অকাল বন্যায় অধিক রাস্তার বেহাল দশা যা নিজ চোখে না দেখলে মনে হবে টিভি বা ইন্টারনেটের কোন নাটকের গল্প।

 

জগন্নাথপুর উপজেলায় প্রায় ৪ লক্ষ মানুষের বসবাস। এ উপজেলার অন্যতম সড়ক হচ্ছে ভবের-সৈয়দপুর বাজার- নয়াবন্দর টু খাঠালখাই-গোয়ালাবাজার। জগন্নাথপুর উপজেলার ব্যস্ততম সড়ক হচ্ছে ভবের-সৈয়দপুর বাজার। এ সড়কের মধ্যেখানে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কয়েকটি। এ সড়ক দিয়ে এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা চলাচল করে থাকেন প্রতিদিন। সড়কের মধ্যেখানে ইশানকোনায় লাইসিয়াম স্কুলের ঠিক সামনে দীর্ঘ দিন যাবত গর্ত। এ সড়কের মধ্যেখানে ইশানকোনায় হাফিজিয়া মহিলা মাদ্রাসার সামনেও রয়েছে গর্ত। এসব গর্তে পানি জমে থাকে সব সময়। এ সব গর্ত দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ গাড়ি নিয়ে চলাচল করেন, তাদের চোকের সামনে এসব গর্তগুলো অায়নার মতো পরিস্কার রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্থে সংস্কারের উদ্যােগে গ্রহন করা অতি জরুরি।

 

জগন্নাথপুর টু সুনামগঞ্জ সড়কের মধ্যেখানে বিভিন্ন ব্রিজে উঠতে নামতে ব্রিজের মুখে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। অনেক ব্রিজ অাবার ঝুঁকিপুর্ন রয়েছে জনসার্থে এসব সংস্থার জরুরি।

 

কয়েক বছর পূর্বে সৈয়দপুর থেকে নয়াবন্দর-গোয়ালাবাজার হয়ে এই সড়ক দিয়ে সরাসরি সিলেটে বাস চলাচল ছিল কিন্তু সড়কের সীমাহীন ভাঙ্গনের পর সঠিক কোন সংস্কারের কাজ না হওয়ায় সৈয়দপুর-নয়াবন্দর টু সিলেট সরাসরি বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায় যা অাজো চালু হয়নি। এতে এ অঞ্চলের মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। এ অঞ্চলের সড়ক খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যানাবাহন চলাচল করছে। সড়কটির এমন করুন দশা ও জনসাধারণের ভোগান্তি দেখার যেন কেউ নেই। যদিও প্রায়ই এ সড়ক দিয়ে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের লোকজনও মাঝে মধ্যে যাতায়াত করছেন। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। সড়কের নাজুক অবস্থার কারণে বাধ্য হয়ে ধীরে ধীরে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই রাস্তা দিয়ে সুস্থ সবল মানুষ চলাচল করলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পরেন,অার রোগীদের অবস্তা তো অারো খারাপ হয়ে যায়। ডেলিভারির রোগীকে সিলেটে নিয়ে যেতে চাইলেও রাস্তায় গাড়িতে ডেলিভারি সন্তান জন্ম হওয়ার এমন একাধিক ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি। এই ভাঙ্গা সড়ক দিয়ে বর্তমানে চলাচল সিএনজি ৫জন নাহলে সিএনজি ছাড়া হয়নি তাও ভাড়া তুলনার চেয়ে অধিক যার কারন এই ভাঙা সড়ক। চালকেরাও এই ভাঙ্গা সড়কে গাড়ি চালাতে নারাজ কেননা তাদের গাড়িতে কদিন পরপরও মেরামত কাজ করাতে হয়। সব মিলিয়ে অকাল বন্যায় এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে অতীতের চেয়ে অারো অধিক ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত হয়েছে। সড়কের নাজুক অবস্থার কারণে বাধ্য হয়ে এলাকার সমাজ সচেতন ব্যক্তিবর্গের অান্তরিক অপচেষ্টায় নয়াবন্দর টু খাঠালখাই রাস্তায় ব্যক্তি উদ্যােগে কয়েক ট্রাক ইটও পেলেছেন।

 

এলাকাবাসী ও অাশ-পাশের উপজেলার লোকজন সহ সর্বশ্রেণীর মানু্ষের প্রাণের দাবি লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে অাসার অনুরোধ জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ