০৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে মীরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচারনায় মাঠে

  • Update Time : ০৭:১২:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়ন ও সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের নির্বাচন সংক্রান্ত সকল মামলা উচ্চ আদালতের রায়ে খারিজ হয়েছে। নির্বাচন আয়োজনে আর কোন বাঁধা নেই বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, দীর্ঘ প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে সীমানা সংক্রান্ত মামলা জনিত কারনে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়ন ও সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের জনগন ছিলো নির্বাচন ও ভোটাধিকার বঞ্চিত। সীমানা সংক্রান্ত মামলাটি ছিলো লহরী গ্রামের কিছু ভোটারকে কেন্দ্র করে, যাদের কিছু ভোট দশঘর ইউনিয়নে ছিলো কিন্তু সংশোধিত ভোটার তালিকায় তারা মীরপুর ইউনিয়নে চলে আসে।

 

সংশোধিত ভোটার তালিকায় মীরপুর ইউনিয়নে চলে আসা লহরী গ্রামের জনৈক আব্দুল মানিক নামের এক ব্যক্তি আবার দশঘর ইউনিয়নে চলে যেতে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করলে এ দীর্ঘ সূত্রিতার সৃষ্টি হয়।

 

নির্বাচন ও ভোটাধিকারের দাবীতে মীরপুর ইউনিয়নবাসী সর্বদলীয় নির্বাচন বাস্তবায়ন পরিষদ গঠন করেন। যুক্তরাজ্যে গঠিত নির্বাচন বাস্তবায়ন পরিষদ ও সচেতন ইউনিয়নবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতায় ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলন ও উচ্চ আদালতে সরাসরি মামলা পরিচালনা করেন। রায় নির্বাচন বাস্তবায়ন পরিষদের পক্ষে এসেছে । উচ্চ আদালত আগামী ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনা দেন। ফলে উক্ত ইউনিয়ন সমুহে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে আর আইনি কোন বাধা নেই।

 

এ ব্যাপারে বিশিষ্টজনদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, বিগত দুইটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হলেও স্বার্থান্নিষী একটি মহলের কারনে আইনী জটিলতার অজুহাতে দীর্ঘদিন নির্বাচন হয়নি জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নে। সম্প্রতি আদালত জনগনের পক্ষে রায় দিয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত অনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কর্তৃক ইউনিয়ন পরিচালিত হওয়ায় নানান জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে গতিশীলতা ফিরে আসবে।

 

উল্লেখ্য ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফশীল ঘোষনা করা হলে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের ন্যায় মীরপুর ইউনিয়নের প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন জমা প্রদান করে ব্যাপক প্রচারনায় অংশ নেন। নির্বাচনী উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যে হঠাৎ করে সীমানা সংক্রান্ত একটি মামলায় হাই কোর্টের রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে মীরপুর ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। ফলে ভোট প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হন ভোটাররা। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অর্থাৎ ৫ম ধাপে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে মীরপুর ইউনিয়ন ছাড়া ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন সম্পন্ন হয়। কিন্তু মামলা জটিলতায় নির্বাচন হয়নি মীরপুর ইউনিয়নে। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে নির্বাচন থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ক্ষোভের ধানা বাঁধে ইউনিয়নের লোকজনের মধ্যে। ফলে ইউনিয়নবাসী নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে নামেন এবং উচ্চ আদালতে মামলা পরিচালনা করেন। উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর নির্বাচন ও ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ায় ইউনিয়নের সর্বত্র এখন নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে ।

 

ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে একই আলাপ-আলোচনা দীর্ঘদিন পর আসন্ন নির্বাচনে কে হবেন ইউনিয়নের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। এছাড়া ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই তাদের নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করে দিয়েছেন। ভোটারের মন জয় করতে আত্মীয় স্বজন বন্ধুমহল সহ দেশ বিদেশের সকলের সাথে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। এছাড়া ইদানীং পারিবারিক সম্পর্ক বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্টানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপক অংশ গ্রহণ তাদের প্রার্থীতার কথা জানিয়ে দিচ্ছে।

 

প্রথম বারের মতো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা দেখা দিয়েছে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় বড় দুই দলের প্রতীক মূল আলোচনায় এসেছে।

 

নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন লাভে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম বেশ জোরেশোরে আলোচিত হচ্ছে তারা হলেন- বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ জমির উদ্দিন, জগন্নাথপুর
উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা বিশিষ্ট সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী ইলিয়াস আহমদ, যুক্তরাজ্য প্রবাসী মাহবুবুল হক শেরীন, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা হাজী নূরুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুশ শাহীদ শহীদ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির, আওয়ামীলীগ নেতা ইয়াওর মিয়া।

 

ধানের শীষ প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন- জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি, যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী মাষ্টার আমীর উদ্দীন আহমদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম,এ,আজিজ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জুবেদ আলী লখন, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা আব্দুল হামিদ খান হেভেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এম এ নুর, সাধারণ সম্পাদক আখলুল করিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন, বিশিষ্ট সংগঠক, জাগ্রত মুসলিম জনতার আহবায়ক মাওঃ মহিউদ্দিন এমরান, যুক্তরাজ্য প্রবাসী তরুন শিক্ষানুরাগী সাহাব আলী ও আইডিয়াল ভিলেজ ফোরামের সভাপতি মুজাক্কির হোসাইন।

 

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনমত জরিপে সাধারন ভোটারেরা অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, এ নির্বাচন যেহেতু স্থানীয় নির্বাচন তাই ভোটারেরা প্রতীক দেখে নয়, যোগ্য প্রার্থী দেখে ভোট দিবেন। যেহেতু বহুকাংখিত নির্বাচন আসছে তাই ইউনিয়নবাসীর আনন্দের সীমা নেই, সর্বত্রই যেন নির্বাচনী উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে মীরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচারনায় মাঠে

Update Time : ০৭:১২:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়ন ও সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের নির্বাচন সংক্রান্ত সকল মামলা উচ্চ আদালতের রায়ে খারিজ হয়েছে। নির্বাচন আয়োজনে আর কোন বাঁধা নেই বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, দীর্ঘ প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে সীমানা সংক্রান্ত মামলা জনিত কারনে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়ন ও সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের জনগন ছিলো নির্বাচন ও ভোটাধিকার বঞ্চিত। সীমানা সংক্রান্ত মামলাটি ছিলো লহরী গ্রামের কিছু ভোটারকে কেন্দ্র করে, যাদের কিছু ভোট দশঘর ইউনিয়নে ছিলো কিন্তু সংশোধিত ভোটার তালিকায় তারা মীরপুর ইউনিয়নে চলে আসে।

 

সংশোধিত ভোটার তালিকায় মীরপুর ইউনিয়নে চলে আসা লহরী গ্রামের জনৈক আব্দুল মানিক নামের এক ব্যক্তি আবার দশঘর ইউনিয়নে চলে যেতে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করলে এ দীর্ঘ সূত্রিতার সৃষ্টি হয়।

 

নির্বাচন ও ভোটাধিকারের দাবীতে মীরপুর ইউনিয়নবাসী সর্বদলীয় নির্বাচন বাস্তবায়ন পরিষদ গঠন করেন। যুক্তরাজ্যে গঠিত নির্বাচন বাস্তবায়ন পরিষদ ও সচেতন ইউনিয়নবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতায় ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলন ও উচ্চ আদালতে সরাসরি মামলা পরিচালনা করেন। রায় নির্বাচন বাস্তবায়ন পরিষদের পক্ষে এসেছে । উচ্চ আদালত আগামী ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনা দেন। ফলে উক্ত ইউনিয়ন সমুহে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে আর আইনি কোন বাধা নেই।

 

এ ব্যাপারে বিশিষ্টজনদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, বিগত দুইটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হলেও স্বার্থান্নিষী একটি মহলের কারনে আইনী জটিলতার অজুহাতে দীর্ঘদিন নির্বাচন হয়নি জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নে। সম্প্রতি আদালত জনগনের পক্ষে রায় দিয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত অনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কর্তৃক ইউনিয়ন পরিচালিত হওয়ায় নানান জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে গতিশীলতা ফিরে আসবে।

 

উল্লেখ্য ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফশীল ঘোষনা করা হলে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের ন্যায় মীরপুর ইউনিয়নের প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন জমা প্রদান করে ব্যাপক প্রচারনায় অংশ নেন। নির্বাচনী উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যে হঠাৎ করে সীমানা সংক্রান্ত একটি মামলায় হাই কোর্টের রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে মীরপুর ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। ফলে ভোট প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হন ভোটাররা। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অর্থাৎ ৫ম ধাপে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে মীরপুর ইউনিয়ন ছাড়া ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন সম্পন্ন হয়। কিন্তু মামলা জটিলতায় নির্বাচন হয়নি মীরপুর ইউনিয়নে। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে নির্বাচন থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ক্ষোভের ধানা বাঁধে ইউনিয়নের লোকজনের মধ্যে। ফলে ইউনিয়নবাসী নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে নামেন এবং উচ্চ আদালতে মামলা পরিচালনা করেন। উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর নির্বাচন ও ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ায় ইউনিয়নের সর্বত্র এখন নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে ।

 

ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে একই আলাপ-আলোচনা দীর্ঘদিন পর আসন্ন নির্বাচনে কে হবেন ইউনিয়নের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। এছাড়া ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই তাদের নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করে দিয়েছেন। ভোটারের মন জয় করতে আত্মীয় স্বজন বন্ধুমহল সহ দেশ বিদেশের সকলের সাথে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। এছাড়া ইদানীং পারিবারিক সম্পর্ক বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্টানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপক অংশ গ্রহণ তাদের প্রার্থীতার কথা জানিয়ে দিচ্ছে।

 

প্রথম বারের মতো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা দেখা দিয়েছে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় বড় দুই দলের প্রতীক মূল আলোচনায় এসেছে।

 

নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন লাভে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম বেশ জোরেশোরে আলোচিত হচ্ছে তারা হলেন- বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ জমির উদ্দিন, জগন্নাথপুর
উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা বিশিষ্ট সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী ইলিয়াস আহমদ, যুক্তরাজ্য প্রবাসী মাহবুবুল হক শেরীন, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা হাজী নূরুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুশ শাহীদ শহীদ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির, আওয়ামীলীগ নেতা ইয়াওর মিয়া।

 

ধানের শীষ প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন- জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি, যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী মাষ্টার আমীর উদ্দীন আহমদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম,এ,আজিজ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জুবেদ আলী লখন, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা আব্দুল হামিদ খান হেভেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এম এ নুর, সাধারণ সম্পাদক আখলুল করিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন, বিশিষ্ট সংগঠক, জাগ্রত মুসলিম জনতার আহবায়ক মাওঃ মহিউদ্দিন এমরান, যুক্তরাজ্য প্রবাসী তরুন শিক্ষানুরাগী সাহাব আলী ও আইডিয়াল ভিলেজ ফোরামের সভাপতি মুজাক্কির হোসাইন।

 

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনমত জরিপে সাধারন ভোটারেরা অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, এ নির্বাচন যেহেতু স্থানীয় নির্বাচন তাই ভোটারেরা প্রতীক দেখে নয়, যোগ্য প্রার্থী দেখে ভোট দিবেন। যেহেতু বহুকাংখিত নির্বাচন আসছে তাই ইউনিয়নবাসীর আনন্দের সীমা নেই, সর্বত্রই যেন নির্বাচনী উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ