০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতার বিয়ে !

  • Update Time : ০৭:২৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুলাই ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে লুকিয়ে ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতার বিয়ে হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। জানাগেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের খাগাউড়া গ্রামের বিতর্কিত ব্যক্তি জনি মিয়ার বাড়িতে আবারো স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। গত ২৩ জুলাই ধর্ষণের ঘটনাটি ফাস হয়।

দ্বিতীয় বারের মতো স্থানীয় খাগাউড়া গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সুন্দরী কন্যা (১৭) পঞ্চগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের পর অশ্লীল ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়া হয়। এবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠে জনির মামাতো ভাই রিপন মিয়ার (২৩) বিরুদ্ধে। সে দিরাই থানার এখতিয়ারপুর গ্রামের বাসিন্দা। সে দীর্ঘদিন ধরে জনির বাড়িতে বসবাস করছে।

এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ চাপা হলে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২৯ জুলাই রোববার রাতে লুকিয়ে ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতা ছাত্রীর বিয়ে হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

এছাড়া জনির বাড়িতে স্থানীয় বাউধরণ গ্রামের বাসিন্দা পঞ্চগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির আরেক ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর ধর্ষণের ভিডিও ইনটারনেটে ছড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় ২০১৭ সালে জগন্নাথপুর থানায় জনি ও জনির কর্মচারী রুবেলকে আসামী করে মামলা হয়। এ মামলা থেকে বাঁচতে রুবেল ধর্ষিতাকে বিয়ে করে। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতার বিয়ে !

Update Time : ০৭:২৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুলাই ২০১৮

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে লুকিয়ে ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতার বিয়ে হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। জানাগেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের খাগাউড়া গ্রামের বিতর্কিত ব্যক্তি জনি মিয়ার বাড়িতে আবারো স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। গত ২৩ জুলাই ধর্ষণের ঘটনাটি ফাস হয়।

দ্বিতীয় বারের মতো স্থানীয় খাগাউড়া গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সুন্দরী কন্যা (১৭) পঞ্চগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের পর অশ্লীল ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়া হয়। এবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠে জনির মামাতো ভাই রিপন মিয়ার (২৩) বিরুদ্ধে। সে দিরাই থানার এখতিয়ারপুর গ্রামের বাসিন্দা। সে দীর্ঘদিন ধরে জনির বাড়িতে বসবাস করছে।

এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ চাপা হলে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২৯ জুলাই রোববার রাতে লুকিয়ে ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতা ছাত্রীর বিয়ে হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

এছাড়া জনির বাড়িতে স্থানীয় বাউধরণ গ্রামের বাসিন্দা পঞ্চগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির আরেক ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর ধর্ষণের ভিডিও ইনটারনেটে ছড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় ২০১৭ সালে জগন্নাথপুর থানায় জনি ও জনির কর্মচারী রুবেলকে আসামী করে মামলা হয়। এ মামলা থেকে বাঁচতে রুবেল ধর্ষিতাকে বিয়ে করে। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ