১২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

  • Update Time : ০৭:৪৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুন ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে  এ হামলা হয়। এসময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুরুসহ ৪/৫জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, কোটা সংস্কারের দাবিতে শনিবার সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলনের কথা ছিল। সেখানে আন্দোলনকারীরা জড়ো হতে থাকলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় নুরুল হক নুরুর ওপর ছাত্রলীগ নেতারা চড়াও হও। তাকে রক্ষা করতে গেলে আন্দোলনকারীদের বেশ কয়েকজনকে পেটায় ছাত্রলীগ।

 
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আদিত্য নন্দী, আরিফুর রহমান লিমন, মেহেদী হাসান রনি, মাসুদ রানা মিঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক দারুস সালাম শাকিল, এইচএন শওকত-উর রহমান, কৃষি শিক্ষা সম্পাদক বরকত হোসেন হাওলাদার, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক রিয়াজ আল রিয়াদ, মোহসীন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, সূর্যসেন হল সভাপতি গোলাম সারওয়ারসহ ২০/২৫জন নেতাকর্মী হামলায় অংশ নেয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির প্রধান গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক এসএম জাবেদ আহমেদকে লাঞ্ছিত করে ছাত্রলীগ। আহতদের উদ্ধার করে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে আন্দোলকারীরা।

 
যারা ছাত্রলিগ করে তারা কোটার ভিত্তিতে অনেকেই চাকরি পাবে না। কারণ তারা কোটাভুক্ত ক্যাটাগরির পরিবার ভুক্ত নয়। তাই আন্দোলন সুফল হলে তাদের ও লাভ। এই কথাটা তাদের মাথায়ই ঢুকছে না। বিএনপি কখনও ক্ষমতায় গেলে তাদের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাও আওয়ালিগের তালিকা থেকে ভিন্ন। যুদ্ধাপরাধীরাও তাদের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা। তখন আইনের সুযোগে তারা তাদের তালিকাভুক্তদের চাকরিতে প্রাধান্য দিবে। বরং ছাত্রলিগের সমর্থকরা জেলে থাকবে। তাই কোটা সংশোধন কারিদের আন্দোলন সমর্থন করা উচিত । আক্রমন নয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

Update Time : ০৭:৪৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুন ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে  এ হামলা হয়। এসময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুরুসহ ৪/৫জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, কোটা সংস্কারের দাবিতে শনিবার সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলনের কথা ছিল। সেখানে আন্দোলনকারীরা জড়ো হতে থাকলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় নুরুল হক নুরুর ওপর ছাত্রলীগ নেতারা চড়াও হও। তাকে রক্ষা করতে গেলে আন্দোলনকারীদের বেশ কয়েকজনকে পেটায় ছাত্রলীগ।

 
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আদিত্য নন্দী, আরিফুর রহমান লিমন, মেহেদী হাসান রনি, মাসুদ রানা মিঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক দারুস সালাম শাকিল, এইচএন শওকত-উর রহমান, কৃষি শিক্ষা সম্পাদক বরকত হোসেন হাওলাদার, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক রিয়াজ আল রিয়াদ, মোহসীন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, সূর্যসেন হল সভাপতি গোলাম সারওয়ারসহ ২০/২৫জন নেতাকর্মী হামলায় অংশ নেয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির প্রধান গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক এসএম জাবেদ আহমেদকে লাঞ্ছিত করে ছাত্রলীগ। আহতদের উদ্ধার করে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে আন্দোলকারীরা।

 
যারা ছাত্রলিগ করে তারা কোটার ভিত্তিতে অনেকেই চাকরি পাবে না। কারণ তারা কোটাভুক্ত ক্যাটাগরির পরিবার ভুক্ত নয়। তাই আন্দোলন সুফল হলে তাদের ও লাভ। এই কথাটা তাদের মাথায়ই ঢুকছে না। বিএনপি কখনও ক্ষমতায় গেলে তাদের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাও আওয়ালিগের তালিকা থেকে ভিন্ন। যুদ্ধাপরাধীরাও তাদের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা। তখন আইনের সুযোগে তারা তাদের তালিকাভুক্তদের চাকরিতে প্রাধান্য দিবে। বরং ছাত্রলিগের সমর্থকরা জেলে থাকবে। তাই কোটা সংশোধন কারিদের আন্দোলন সমর্থন করা উচিত । আক্রমন নয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ