০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে হাটবাজার ও বাড়িঘর

  • Update Time : ১০:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বন্যার পানিতে হাটবাজার, বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। এতে অনাকাঙ্খিত দুর্ভোগে পড়েছেন বন্যা কবলিত জনতা।

 

জানাগেছে, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী পাড়ের হাটবাজার, বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। ১৯ জুন মঙ্গলবার সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার রাণীগঞ্জ বাজার অধিকাংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। স্থানীয় জনতা পানি মাড়িয়ে বাজারে কেনাকাটা করছেন। এছাড়া বাজার এলাকার স্থানীয় রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়।

 

এ ব্যাপারে রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা বলেন, বন্যার পানিতে আমার ইউনিয়নের রাণীনগর ও বাগময়না সহ বিভিন্ন গ্রামের কয়েক শতাধিক বাড়িঘরে পানি উঠে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন বন্যা কবলিতরা। তাছাড়া উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর বাজার থেকে ভবেরবাজার পর্যন্ত সড়কে অনেক স্থান পানিতে ডুবে গেছে।

এছাড়া খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার পাইলগাঁও ও আশারকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাড়িঘর ও গ্রামীন রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। একইভাবে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাড়িঘর ও গ্রামীন রাস্তাঘাট তলিয়ে গিয়ে মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

 

 

এদিকে-বন্যার পানিতে হাটবাজার, বাড়ি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে গেলেও রাণীগঞ্জ বাজার থেকে বাগময়না গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান মজলুল হকের বাড়ি পর্যন্ত নতুন বাধটি এখনো তলিয়ে যায়নি। যে কারণে স্থানীয়দের ভোগান্তি অনেকটা হৃাস পেয়েছে।

 

জানা যায়, গত প্রায় একমাস আগে কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ বাধটি নির্মাণ করেন রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তেরা মিয়া।

 

এ ব্যাপারে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তেরা মিয়া বলেন, এ বাধটি রক্ষা করতে আমি দিনরাত তদারকি করছি। কারণ বাধটি ভেঙে গেলে অথবা ডুবে গেলে স্থানীয় অনেক বাড়িঘর তলিয়ে যাবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে হাটবাজার ও বাড়িঘর

Update Time : ১০:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বন্যার পানিতে হাটবাজার, বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। এতে অনাকাঙ্খিত দুর্ভোগে পড়েছেন বন্যা কবলিত জনতা।

 

জানাগেছে, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী পাড়ের হাটবাজার, বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। ১৯ জুন মঙ্গলবার সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার রাণীগঞ্জ বাজার অধিকাংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। স্থানীয় জনতা পানি মাড়িয়ে বাজারে কেনাকাটা করছেন। এছাড়া বাজার এলাকার স্থানীয় রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়।

 

এ ব্যাপারে রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা বলেন, বন্যার পানিতে আমার ইউনিয়নের রাণীনগর ও বাগময়না সহ বিভিন্ন গ্রামের কয়েক শতাধিক বাড়িঘরে পানি উঠে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন বন্যা কবলিতরা। তাছাড়া উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর বাজার থেকে ভবেরবাজার পর্যন্ত সড়কে অনেক স্থান পানিতে ডুবে গেছে।

এছাড়া খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার পাইলগাঁও ও আশারকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাড়িঘর ও গ্রামীন রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। একইভাবে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাড়িঘর ও গ্রামীন রাস্তাঘাট তলিয়ে গিয়ে মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

 

 

এদিকে-বন্যার পানিতে হাটবাজার, বাড়ি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে গেলেও রাণীগঞ্জ বাজার থেকে বাগময়না গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান মজলুল হকের বাড়ি পর্যন্ত নতুন বাধটি এখনো তলিয়ে যায়নি। যে কারণে স্থানীয়দের ভোগান্তি অনেকটা হৃাস পেয়েছে।

 

জানা যায়, গত প্রায় একমাস আগে কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ বাধটি নির্মাণ করেন রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তেরা মিয়া।

 

এ ব্যাপারে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তেরা মিয়া বলেন, এ বাধটি রক্ষা করতে আমি দিনরাত তদারকি করছি। কারণ বাধটি ভেঙে গেলে অথবা ডুবে গেলে স্থানীয় অনেক বাড়িঘর তলিয়ে যাবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ