অতিবৃষ্টিতে পাহাড় ধসে নিহত ১২, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
- Update Time : ০২:২১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জুন ২০১৮
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: কয়েকদিনের টানা ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসে ১১ জন এবং কক্সবাজারের মহেশখালীতে একজন নিহত হয়েছেন। এরই মধ্যে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির সড়কেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। এছাড়া বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি শহরের নিম্নাঞ্চলও ডুবে গেছে।
নানিয়ারচর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাতে ও আজ মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার সাবেক্ষং ইউনিয়নের বড়পুলপাড়ায় চারজন, বুড়িঘাট ইউনিয়নের ধর্মচরণপাড়ায় চারজন ও ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের হাতিমারা গ্রামে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল সকালে মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক পানিরছড়া এলাকায় পাহাড় ধসে আবুল কালাম ওরফে বাদশা মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় তার শিশুপুত্র আনোয়ার হোসেনও (৮) মাটি চাপা পড়ে আহত হয়েছে।
এরআগে সোমবার রাত সোয়া ৯টার দিকে মাত্র ৫০ সেকেন্ডের ঘূর্ণিঝড়ে পটুয়াখালীর গলাচিপাউপজেলায় কয়েকটি গ্রামে অর্ধশতাধিক বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর মঙ্গলবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, প্রবল মৌসুমি বায়ুর কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে আজ বেলা ১১টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কথা জানিয়ে ভোলায় কর্মরত একজন পুলিশ সদস্য রেডিও তেহরানকে জানান, দু দিন টানা বৃষ্টিপাতের পর আজ বিকাল নাগাদ আকাশ পরিস্কার হয়ছে। জোয়ারে পানি বাড়লেও তা নেমে গেছে। জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি এসছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ উপকূলীয় এলাকা এবং চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে। একইসাথে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌযানগুলোকে গভীর সাগরে না গিয়ে উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।



























