স্ত্রীর মর্যদার দাবিতে চেয়ারম্যানের বাড়িতে নারী এসআই
- Update Time : ০৭:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৮
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
বিশেষ প্রতিনিধি :: স্ত্রীর মর্যদার দাবিতে ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়িতে নারী এসআই, ক্লোজ।
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমদের বাড়িতে ঘরের মালামাল তছনছ ও বাড়ির কেয়ার টেকারের সঙ্গে বাকবিতন্ডার অভিযোগে রাজনগর থানার নারী এসআই নাজমা বগেমকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
রাজনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক জানান, বিষয়টি মৌলভীবাজার পুলিশ সুপারকে জানালে এসআই নাজমাকে তাৎক্ষণিক ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। তবে, অসৌজন্যমূলক আচরণের কারনে ক্লোজ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে রাজনগর থানায় যোগদান করেন উপপরিদর্শক নাজমা বেগম। প্রায় দুই বছর রাজনগর থাকা কালে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে বিতর্কিত ভূমিকা রাখার কারণে আলোচিত-সমালোচিত হন। ট্রেনিং ও জুড়ি উপজেলায় ৩ মাস কাটিয়ে তিনি আবারো রাজনগর থানায় যোগদান করেন।
এদিকে রাজনগর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ রাজনগর থানায় যাওয়া আসার সুবাদে তার পরিচয় হয় এবং একসময় উভয়ে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়। এসআই নাজমা বেগম ও ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ উভয়েই বিবাহিত। তাদের আগের সন্তানও রয়েছে। উভয়ে বিয়ের পিড়িতে বসলেও এক সঙ্গে থাকা হচ্ছিল না।
গত বৃহস্পতিবার বিকালে এসআই নাজমা বেগম ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমদরে বাড়িতে যান। ওই সময় বাড়িতে কেউ ছিলেন না। কেয়ার টেকার নয়ন মিয়ার সঙ্গে কথা বলেন। এসময় এসআই নাজমা বেগম তার ফোন না ধারা ও তাকে ঘরে না তুলা নিয়ে বিভিন্ন কথাবার্তা বলেন। এক পর্যায়ে ঘরের মালামাল তছনছ করেন বলে অভিযোগ করা হয় এবং কেয়ারটেকারে সঙ্গে তার (এসআই নাজমা) বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে কেয়ারটেকার হামলা করেন বলে সূত্রে জানা যায়।
বিষয়টি রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্যামল বণিক মৌলভীবাজার পুলিশ সুপারকে জানালে তাকে তাৎক্ষনিক পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়। এনিয়ে এলাকায় চাঞ্চেল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য লিটন আহমদ বলেন, এসআই নাজমা ভাইস চেয়ারম্যানের বিয়ের বিষয়টি রাজনগরের সকলেই জানে। ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়েছেন বলে শুনেছি এবং কেয়ারটেকারের সেঙ্গ তার বাকবিতন্ডা ও হামলার হয়েছি বলে শুনেছি।
এসআই নাজমা বেগম বলেন, আমি একটি মামলার তদন্ত কাজে ওই এলাকায় গিয়েছিলাম। আসার পথে ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে তাকে খোজ করেছি মাত্র। এর বেশি কিছু হয়নি।
এ ব্যাপারে জানতে ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমদের মোবাইল ফোনে কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।




























