০৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিউটি হত্যায় জড়িত বাবা ছায়েদ আলী

  • Update Time : ০২:২০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ এপ্রিল ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে কিশোরী বিউটি হত্যায় নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বাবা ছায়েদ আলী। বিউটি হত্যা মামলার বাদী ছায়েদ আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নিজে জড়িত থাকার কথা বলেন। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ছায়েদ আলীর জবানবন্দি নেয়া হয়। তবে জবানবন্দিতে তিনি আর কী বলেছেন তদন্তের স্বার্থে পুলিশ সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। পরে প্রতিবেশী আছমা আক্তারের বক্তব্য রেকর্ড করেন আদালত।

 

গত ২১ জানুয়ারি সদর উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের দিনমজুর কন্যা বিউটি আক্তারকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বাবুল মিয়াসহ তার লোকজন। এরপর বিভিন্ন স্থানে রেখে তাকে ধর্ষণ করে বাবুল। ১৮ দিন পর ৯ ফেব্রুয়ারি বাবুল মিয়া কৌশলে বিউটিকে তার বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায়।

 

এ ঘটনায় ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলা করেন বিউটির বাবা ছায়েদ আলী। ১৬ মার্চ রাতে বিউটি আক্তার তার নানা বাড়ি লাখাই উপজেলার গুনিপুর গ্রাম থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন দুপুরে ব্রাহ্মণডোরা হাওর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিউটি হত্যায় জড়িত বাবা ছায়েদ আলী

Update Time : ০২:২০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ এপ্রিল ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে কিশোরী বিউটি হত্যায় নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বাবা ছায়েদ আলী। বিউটি হত্যা মামলার বাদী ছায়েদ আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নিজে জড়িত থাকার কথা বলেন। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ছায়েদ আলীর জবানবন্দি নেয়া হয়। তবে জবানবন্দিতে তিনি আর কী বলেছেন তদন্তের স্বার্থে পুলিশ সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। পরে প্রতিবেশী আছমা আক্তারের বক্তব্য রেকর্ড করেন আদালত।

 

গত ২১ জানুয়ারি সদর উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের দিনমজুর কন্যা বিউটি আক্তারকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বাবুল মিয়াসহ তার লোকজন। এরপর বিভিন্ন স্থানে রেখে তাকে ধর্ষণ করে বাবুল। ১৮ দিন পর ৯ ফেব্রুয়ারি বাবুল মিয়া কৌশলে বিউটিকে তার বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায়।

 

এ ঘটনায় ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলা করেন বিউটির বাবা ছায়েদ আলী। ১৬ মার্চ রাতে বিউটি আক্তার তার নানা বাড়ি লাখাই উপজেলার গুনিপুর গ্রাম থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন দুপুরে ব্রাহ্মণডোরা হাওর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ