০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে বিরোধিতার কারণে ২ বছর ধরে মাদ্রাসা বন্ধ

  • Update Time : ০৯:০১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বিরোধিতার কারণে দীর্ঘ প্রায় ২ বছর ধরে একটি মাদ্রাসা বন্ধ রয়েছে। মাদ্রাসাটি বন্ধ থাকায় লেখাপাড়া থেকে বঞ্চিত রয়েছে স্থানীয় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

 

জানাগেছে, জগন্নাথপুর পৌর এলাকার শেরপুর গ্রামে প্রধান সড়কের পাশে বিগত ২০১২ সালে “শাহিদাবাদ হাফিজিয়া মাদ্রাসা” নামের একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন শেরপুর-শাহিদাবাদ গ্রামের বাসিন্দা যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলহাজ্ব ছমরু আলী ও ফুলমতি বেগম। শুরু থেকে মাদ্রাসাটি ভালভাবে চলছিল। মোট ১৭ জন ছাত্র নিয়ে মাদ্রাসার যাত্রা শুরু হয়।

 

তবে ২০১৬ সালে মাদ্রাসার পাশে থাকা খালের জমি নিয়ে গ্রামের একটি মহলের সাথে বিরোধ দেখা দেয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের। এ নিয়ে অনেক বাদানুবাদ হয়েছে। অবশেষে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ছমরু আলী আবারো যুক্তরাজ্যে চলে গেলে মাদ্রাসাটি বন্ধ হয়ে যায়।

 

১৫ মার্চ বৃহস্পতিবার সরজমিনে দেখা যায়, মাদ্রাসাটি তালাবদ্ধ রয়েছে। এ সময় স্থানীয়রা জানান, গ্রামের কিছু মানুষের বিরোধিতার কারণে প্রবাসীরা কষ্ট পাওয়ায় মাদ্রাসাটি বন্ধ হয়ে যায়। তারা মাদ্রাসাটি পুনরায় চালু করার আহবান জানান।

 

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলেও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলহাজ্ব ছমরু আলী বলেন, নাড়ির টানে দেশের মায়ায় এলাকার শিশুদের ইসলামী শিক্ষা প্রদানের জন্য মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। তবে একটি মহল আমাদেরকে নানাভাবে হয়রানী করেছে। তাদের যন্ত্রনায় বাধ্য হয়ে মাদ্রাসাটি বন্ধ করেছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি আইনগত সহযোগিতা করে তাহলে মাদ্রাসাটি আবারো চালু করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে বিরোধিতার কারণে ২ বছর ধরে মাদ্রাসা বন্ধ

Update Time : ০৯:০১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বিরোধিতার কারণে দীর্ঘ প্রায় ২ বছর ধরে একটি মাদ্রাসা বন্ধ রয়েছে। মাদ্রাসাটি বন্ধ থাকায় লেখাপাড়া থেকে বঞ্চিত রয়েছে স্থানীয় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

 

জানাগেছে, জগন্নাথপুর পৌর এলাকার শেরপুর গ্রামে প্রধান সড়কের পাশে বিগত ২০১২ সালে “শাহিদাবাদ হাফিজিয়া মাদ্রাসা” নামের একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন শেরপুর-শাহিদাবাদ গ্রামের বাসিন্দা যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলহাজ্ব ছমরু আলী ও ফুলমতি বেগম। শুরু থেকে মাদ্রাসাটি ভালভাবে চলছিল। মোট ১৭ জন ছাত্র নিয়ে মাদ্রাসার যাত্রা শুরু হয়।

 

তবে ২০১৬ সালে মাদ্রাসার পাশে থাকা খালের জমি নিয়ে গ্রামের একটি মহলের সাথে বিরোধ দেখা দেয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের। এ নিয়ে অনেক বাদানুবাদ হয়েছে। অবশেষে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ছমরু আলী আবারো যুক্তরাজ্যে চলে গেলে মাদ্রাসাটি বন্ধ হয়ে যায়।

 

১৫ মার্চ বৃহস্পতিবার সরজমিনে দেখা যায়, মাদ্রাসাটি তালাবদ্ধ রয়েছে। এ সময় স্থানীয়রা জানান, গ্রামের কিছু মানুষের বিরোধিতার কারণে প্রবাসীরা কষ্ট পাওয়ায় মাদ্রাসাটি বন্ধ হয়ে যায়। তারা মাদ্রাসাটি পুনরায় চালু করার আহবান জানান।

 

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলেও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলহাজ্ব ছমরু আলী বলেন, নাড়ির টানে দেশের মায়ায় এলাকার শিশুদের ইসলামী শিক্ষা প্রদানের জন্য মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। তবে একটি মহল আমাদেরকে নানাভাবে হয়রানী করেছে। তাদের যন্ত্রনায় বাধ্য হয়ে মাদ্রাসাটি বন্ধ করেছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি আইনগত সহযোগিতা করে তাহলে মাদ্রাসাটি আবারো চালু করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ