০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাল কম দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত

  • Update Time : ০৭:২৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হাসিমের বিরুদ্ধে জনগণকে সরকারি ভিজিএফ এর চাল কম দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

 

গত ৭ মার্চ বুধবার বিকেলে কলকলিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের তালিকাভূক্ত জনগণের মধ্যে জনপ্রতি সরকারি ভিজিএফ এর ৩০ কেজি চাল ও নগদ ৫০০ টাকা করে বিতরণ করা হয়।

 

এ সময় চাল ও টাকা গ্রহনকারীদের মধ্যে অনেকে অভিযোগ করেন তাদেরকে ৩০ কেজির বদলে ২৫ কেজি চাল দেয়া হয়েছে। তখন এসব জনতার সাথে স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন সাজাদ চেয়ারম্যান আবদুল হাসিমের বিরুদ্ধে চাল কম দেয়ার অভিযোগ করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শতশত উৎসুক জনতা ইউপি অফিসে এসে অবস্থান করেন।

 

রাত ১০টার দিকে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ ও জগন্নাথপুর থানার ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে চালগুলো সিলগালা করে তদন্তক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হবে মর্মে উপস্থিত উত্তেজিত জনতাকে শান্তনা দিয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও অভিযোগকারী ইউপি সদস্যকে থানায় নিয়ে এসে ছেড়ে দেন। এ ঘটনায় জগন্নাথপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবদুর রব সরকার, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ধীরাজ নন্দী চৌধুরী ও জগন্নাথপুর থানার এসআই সাইফুর রহমানকে দিয়ে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

 

পরদিন ৮ মার্চ বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটি প্রকাশ্যে সিলগালাকৃত চাল পুনরায় ওজন করেন। এ সময় জব্দকৃত ৩০ কেজির ৪৮ বস্তা চালের মধ্যে প্রতি বস্তায় ২৫ থেকে ২৬ কেজি চাল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ১২ মার্চ সোমবার তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে জনগণকে চাল কম দেয়ার অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সুবিধাভোগীদের মধ্যে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা থাকলেও ২৫ থেকে ২৬ কেজি করে বিতরণ করা হয়। বর্তমানে চাল না পাওয়া ৬৬১ জন সুবিধাভোগীর বিপরীতে ১৯৮৩০ কেজি চাল মজুদ থাকার কথা থাকলেও আছে ২০৫৪৯ কেজি ২০০ গ্রাম।

 

এতে ৭১৯ কেজি ২০০ গ্রাম চাল বেশি রয়েছে এবং জনপ্রতি ৪ কেজি করে চাল কম দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন প্রদানের সত্যতা নিশ্চিত করে তদন্ত কমিটির সদস্য জগন্নাথপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ধীরাজ নন্দী চৌধুরী বলেন, আমরা যা সত্য পেয়েছি, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাল কম দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত

Update Time : ০৭:২৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হাসিমের বিরুদ্ধে জনগণকে সরকারি ভিজিএফ এর চাল কম দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

 

গত ৭ মার্চ বুধবার বিকেলে কলকলিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের তালিকাভূক্ত জনগণের মধ্যে জনপ্রতি সরকারি ভিজিএফ এর ৩০ কেজি চাল ও নগদ ৫০০ টাকা করে বিতরণ করা হয়।

 

এ সময় চাল ও টাকা গ্রহনকারীদের মধ্যে অনেকে অভিযোগ করেন তাদেরকে ৩০ কেজির বদলে ২৫ কেজি চাল দেয়া হয়েছে। তখন এসব জনতার সাথে স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন সাজাদ চেয়ারম্যান আবদুল হাসিমের বিরুদ্ধে চাল কম দেয়ার অভিযোগ করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শতশত উৎসুক জনতা ইউপি অফিসে এসে অবস্থান করেন।

 

রাত ১০টার দিকে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ ও জগন্নাথপুর থানার ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে চালগুলো সিলগালা করে তদন্তক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হবে মর্মে উপস্থিত উত্তেজিত জনতাকে শান্তনা দিয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও অভিযোগকারী ইউপি সদস্যকে থানায় নিয়ে এসে ছেড়ে দেন। এ ঘটনায় জগন্নাথপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবদুর রব সরকার, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ধীরাজ নন্দী চৌধুরী ও জগন্নাথপুর থানার এসআই সাইফুর রহমানকে দিয়ে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

 

পরদিন ৮ মার্চ বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটি প্রকাশ্যে সিলগালাকৃত চাল পুনরায় ওজন করেন। এ সময় জব্দকৃত ৩০ কেজির ৪৮ বস্তা চালের মধ্যে প্রতি বস্তায় ২৫ থেকে ২৬ কেজি চাল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ১২ মার্চ সোমবার তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে জনগণকে চাল কম দেয়ার অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সুবিধাভোগীদের মধ্যে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা থাকলেও ২৫ থেকে ২৬ কেজি করে বিতরণ করা হয়। বর্তমানে চাল না পাওয়া ৬৬১ জন সুবিধাভোগীর বিপরীতে ১৯৮৩০ কেজি চাল মজুদ থাকার কথা থাকলেও আছে ২০৫৪৯ কেজি ২০০ গ্রাম।

 

এতে ৭১৯ কেজি ২০০ গ্রাম চাল বেশি রয়েছে এবং জনপ্রতি ৪ কেজি করে চাল কম দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন প্রদানের সত্যতা নিশ্চিত করে তদন্ত কমিটির সদস্য জগন্নাথপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ধীরাজ নন্দী চৌধুরী বলেন, আমরা যা সত্য পেয়েছি, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ