খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আদেশ আজ
- Update Time : ০৩:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ মার্চ ২০১৮
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে আজ আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর জামিন আবেদনের ওপর আদেশের জন্য বুধবার আদালতে এ সংক্রান্ত মেনশন স্লিপ জমা দেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। শুনানি শেষে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মেনশন স্লিপ গ্রহণ করে রোববার এ বিষয়ে আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন। গত ২০শে ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন করা হয়েছিল। নিম্ন আদালত থেকে মামলার নথি পাওয়ার পর জামিন বিষয়ে আদেশ দেয়ার কথা জানিয়েছিলেন হাইকোর্ট বেঞ্চ। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া গত ৮ই ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান। পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত পুরনো কারাগারে তাকে রাখা হয়েছে। তার জামিনের বিষয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আদালত আজ কি আদেশ দেবেন তার দিকে তাকিয়ে আছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এর আগে গত ২৫শে ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শেষে এক আদেশে বিচারিক আদালতের নথি পাওয়া সাপেক্ষে খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে আদেশ দেয়া হবে বলে উভয়পক্ষের আইনজীবীদের জানান হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ। গত ২২শে ফেব্রুয়ারি এই মামলার বিচারিক আদালতের নথি তলব করেন হাইকোর্টের এই বেঞ্চ। এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিচারিক আদালতের নথি আজ রোববার সকালে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে পাঠানো হবে বলে গতকাল জানিয়েছেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. মোকাররম হোসেন। মানবজমিনকে তিনি বলেন, নথি প্রস্তুত রয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে তা হাইকোর্টে পাঠানো হবে। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে হাইকোর্টের রোববারের দৈনন্দিন কার্যতালিকার এক নম্বর ক্রমিকে খালেদা জিয়া বনাম রাষ্ট্র মামলাটি আদেশের জন্য অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে।
গত ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছর এবং অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়। রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯শে ফেব্রুয়ারি রায়ের অনুলিপি হাতে পান খালেদার আইনজীবীরা। ২০শে ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আপিল করেন তারা। পরে ২২শে ফেব্রুয়ারি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল গ্রহণ করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে বিচারিক আদালতের দেয়া অর্থদণ্ডের আদেশ স্থগিত করেন। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদনের শুনানির দিন (২৫শে ফেব্রুয়ারি) ধার্য করে হাইকোর্ট এ মামলার বিচারিক আদালতের নথি তলব করেন যা ১৫ দিনের মধ্যে দাখিল করতে বলা হয় আদেশে। গত ২৫শে ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শেষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ উভয়পক্ষের আইনজীবীদের জানান, বিচারিক আদালতের নথি আসার পর জামিন প্রশ্নে আদেশ দেয়া হবে।



























