০৭:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বসন্তের প্রথম দিন আজ

  • Update Time : ১২:২১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: ‘দখিন সমীরণের শিহরণ’ জাগানোর মাহেন্দ্র দিন এলো। মাতাল হাওয়ায় কুসুম বনের বুকের কাঁপনে, নিরাভরণ বৃক্ষে কচি কিশলয় জেগে উঠবার আভাসে, পল্লব মর্মরে আর বনতলে কোকিলের কুহুতান জানান দিচ্ছে : ‘আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে..। আজ বিপুল ঐশ্বর্যের ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। আজি দখিন-দুয়ার খোলা/ এসো হে, এসো হে, এসো হে আমার বসন্ত এসো..।
আজ পয়লা ফাল্গুন। গণমানুষের কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ‘ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক/ আজ বসন্ত…’। বনের মতো মনেও অদ্ভুত এক শিহরণ জাগানিয়া দিন এখন। রূপ লাবণ্যে জেগে উঠেছে প্রকৃতি, রঙিন চারপাশ। বৃক্ষের নবীন পাতায় আলোর নাচন! গোলাপ, জবা, পারুল, পলাশ, পারিজাতের হাসি। সেই প্রাচীন প্রাকৃত পেঙ্গলের দিকে তাকালে আমরা দেখবো বসন্তরাজের করতলে ভালোবাসার নৈবেদ্য তুলে দিতে কেমন ব্যস্ত কবিরা। বসন্তের বন্দনা করে একটি পংক্তিও লেখেননি, এমন বাঙালি কবি খুঁজে পাওয়া যাবে না।

সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শনেও বসন্ত ঠাঁই পেয়েছে নানা অনুপ্রাস, উপমা, উেপ্রক্ষায় নানাভাবে। হালে শহরের যান্ত্রিকার আবেগহীন সময়ে বসন্ত যেন কেবল বৃক্ষেরই, মানুষের আবেগে নাড়া দেয় কমই। কবির ভাষায়-মানুষের হূদয় আজ আনন্দে ভরে উঠুক/দুঃখগুলি সব ঝরে যাক/মানুষের মন হোক অনন্ত,/আজ যে বসন্ত..।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বসন্তের প্রথম দিন আজ

Update Time : ১২:২১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: ‘দখিন সমীরণের শিহরণ’ জাগানোর মাহেন্দ্র দিন এলো। মাতাল হাওয়ায় কুসুম বনের বুকের কাঁপনে, নিরাভরণ বৃক্ষে কচি কিশলয় জেগে উঠবার আভাসে, পল্লব মর্মরে আর বনতলে কোকিলের কুহুতান জানান দিচ্ছে : ‘আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে..। আজ বিপুল ঐশ্বর্যের ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। আজি দখিন-দুয়ার খোলা/ এসো হে, এসো হে, এসো হে আমার বসন্ত এসো..।
আজ পয়লা ফাল্গুন। গণমানুষের কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ‘ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক/ আজ বসন্ত…’। বনের মতো মনেও অদ্ভুত এক শিহরণ জাগানিয়া দিন এখন। রূপ লাবণ্যে জেগে উঠেছে প্রকৃতি, রঙিন চারপাশ। বৃক্ষের নবীন পাতায় আলোর নাচন! গোলাপ, জবা, পারুল, পলাশ, পারিজাতের হাসি। সেই প্রাচীন প্রাকৃত পেঙ্গলের দিকে তাকালে আমরা দেখবো বসন্তরাজের করতলে ভালোবাসার নৈবেদ্য তুলে দিতে কেমন ব্যস্ত কবিরা। বসন্তের বন্দনা করে একটি পংক্তিও লেখেননি, এমন বাঙালি কবি খুঁজে পাওয়া যাবে না।

সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শনেও বসন্ত ঠাঁই পেয়েছে নানা অনুপ্রাস, উপমা, উেপ্রক্ষায় নানাভাবে। হালে শহরের যান্ত্রিকার আবেগহীন সময়ে বসন্ত যেন কেবল বৃক্ষেরই, মানুষের আবেগে নাড়া দেয় কমই। কবির ভাষায়-মানুষের হূদয় আজ আনন্দে ভরে উঠুক/দুঃখগুলি সব ঝরে যাক/মানুষের মন হোক অনন্ত,/আজ যে বসন্ত..।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ